তাঁর মতে মস্কো না আসা ও রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা না করার সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যরাই, কারণ এই লোকরাই রাশিয়া এডওয়ার্ড স্নোডেনকে সাময়িক রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়াতে ক্ষুব্ধ. ওবামা স্রেফ বাধ্য হয়েছেন যেমন রিপাব্লিকান, তেমনই ডেমোক্র্যাটিক পার্টির কংগ্রেস সদস্যদের পক্ষ থেকে চাপ দেওয়াতে এক রকম প্রতিক্রিয়া দেখাতে. তিনি ঠিক করেছেন রাশিয়ার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার, কিন্তু নিজেদের অসন্তোষও দেখানোর. আমি এটাকে বলব “একটা নমনীয় ভাবে দিক বদল” – উল্লেখ করেছেন কিরিল কোকতীশ.

প্রসঙ্গতঃ এই আগষ্ট মাসেই ওবামা চাইছেন যে, মার্কিন কংগ্রেস তাঁর প্রস্তাবিত অভিবাসন সংক্রান্ত আইন গ্রহণ করুক, তাই বলা যেতে পারে যে, দলের ও বিরোধীদের প্রসন্ন করার জন্য এটা বারাক ওবামার একটা প্রচেষ্টা বলে ও সিরিয়া ও ইরান সংক্রান্ত রাজনীতিতেও কোন বড় রকমের রদবদল আসন্ন মাস গুলিতে হতে যাচ্ছে না বলে, ওবামা প্রথমে আসা বস্তুকেই প্রথমে মনোযোগ দেওয়ার নীতি নিয়েছেন – বাস্তবে এটাই বর্তমানের বিশ্ব রাজনীতিতে ক্ষণস্থায়ী ব্যক্তিদের ব্যবহৃত মূল নীতি – তাই ওবামাকে দোষ দেওয়াও যায় না.