দীর্ঘ রোগভোগের পর ১৯৪১ সালে জোড়াসাঁকোর বাসভবনেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

নশ্বর পৃথিবী ছেড়ে কবি চলে গেলেও তার অসামান্য রচনা ও সৃষ্টির মাঝে আজও বেঁচে আছেন তিনি। থাকবেন হাজার বছর।

কলকাতার জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এ বিশ্বকবি। তাঁর পিতা ছিলেন ব্রাহ্ম ধর্মগুরু দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮১৭–১৯০৫) এবং মাতা ছিলেন সারদাসুন্দরী দেবী (১৮২৬–১৮৭৫)।

জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার ছিল ব্রাহ্ম আদিধর্ম মতবাদের প্রবক্তা। 

তিনি ছিলেন বাংলার দিকপাল কবি, ঔপন্যাসিক, সংগীত স্রষ্টা, নাট্যকার, চিত্রকর, গল্পকার, প্রাবন্ধিক ও দার্শনিক। কবির বয়স যখন মাত্র ৮ বছর তখনই তিনি প্রথম কবিতা লেখেন।

১৮৮৭ সালে ১৬ বছর বয়সে ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে তার কবিতা প্রকাশিত হয়।

গীতাঞ্জলি কাব্যগ্রন্থের জন্য ১৯১৩ সালে সাহিত্যে প্রথম বাঙালি এবং এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। নোবেল ফাউন্ডেশন তার এই কাব্যগ্রন্থটিকে বর্ণনা করেছিল একটি ‘গভীরভাবে সংবেদনশীল, উজ্জ্বল ও সুন্দর কাব্যগ্রন্থ’ রূপে।

কবিগুরুর প্রয়াণ দিবসে যথারীতি দুই বাংলায় বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে নানা সামাজিক সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীগুলো।