যা তৈরি করেছে চীন. এ প্রকল্পে বিনিয়োগ করা হয়েছে ৫০ কোটি ডলার, জানিয়েছে স্থানীয় প্রচার মাধ্যম. ক্ষমতাশালী আধুনিক যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জামে সজ্জিত এ টার্মিনাল মেগা-কন্টেনার-বাহী জাহাজ গ্রহণ করতে এবং তার সার্ভিস করতে সক্ষম. ভারত মহাসাগরে পাশ্চাত্য ও প্রাচ্যের সামুদ্রিক পথের মোড়ে অবস্থিত এ দ্বীপে এমন পরিকাঠামো দেখা দেওয়ায় তা মুখ্য একটি আঞ্চলিক বন্দরগুলির একটি হয়ে উঠতে পারে. এই টার্মিনালের অপারেটর হবে চীনের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি চায়না মার্চেন্ট হোল্ডিংস ইন্টারন্যাশানাল, এ প্রকল্পে যার অংশ ৮৫ শতাংশ. আগে বেজিংয়ের আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় শ্রীলঙ্কায় তৈরি করা হয়েছিল হামবানতোত বন্দর, যা খোলে ২০১২ সালে.