ওয়াশিংটন আফগানিস্তানের সাথে নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করতে সক্ষম হবে, যা স্থগিত রাখার কথা আগে ঘোষণা করেছিল কাবুল. এ সম্বন্ধে কেরি বলেছেন ইসলামাবাদে এক সাংবাদিক সম্মেলনে. তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এ দেশে মার্কিনী বাহিনী হ্রাস করছে, অপসারণ করছে না. কাবুল ও ওয়াশিংটনের মাঝে নিরাপত্তা সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক চুক্তি নিয়ে আলাপ-আলোচনা শুরু হয়েছিল এ বছরের গোড়ার দিকে. আলাপ-আলোচনার গতিতে মার্কিনী বাহিনীর সৈন্য সংখ্যা ও বিন্যাস সম্পর্কে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা, যা আফগানিস্তানে থাকবে ২০১৪ সালের শেষ দিকে ন্যাটো জোটের বাহিনী অপসারণের পরে. তবে ১৯শে জুন কাবুল ঘোষণা করে যে, আলাপ-আলোচনা স্থগিত রাখছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের “অ-নিয়মানুবর্তিক কার্যকলাপের” জন্য. আফগান কর্তৃপক্ষকে বিক্ষুব্ধ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থিতি, যারা দোহা-তে রাডিক্যাল “তালিবান” আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সাথে আলাপ-আলোচনা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল. কাবুলে এ উদ্বেগ প্রকাশিত হয়েছিল যে, “ইস্লামিক এমীরশাহী আফগানিস্তান” নামে ব্যুরো-তে আলাপ-আলোচনা চালানো তালিবদের রাজনৈতিক স্বীকৃতি দান হয়ে উঠবে.