×
South Asian Languages:
আফ্রিকা, মার্চ 2011
রাশিয়ার বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের বিমান ১১০ জন রাশিয়ার নাগরিক ও বিদেশীদের নিয়ে মস্কোয় পৌঁছেছে. এ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি জানিয়েছেন যে, রাশিয়াবাসীরা ছাড়া বিমানে বেলোরুশিয়া, ইউক্রেন, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, বুলগেরিয়া এবং অপসারণ করা তিন রুশী মহিলার স্বামী – লিবিয়ার তিন নাগরিক ছিল.
পশ্চিমা যৌথবাহিনী লিবিয়ার দক্ষিন-পশ্চিম সেবহা শহরে বিমান হামলা চালিয়েছে.এই এলাকায় লিবিয়ায় অন্যতম সামরিক ঘাঁটি অবস্থিত.এখানের অধিকাংশ জনসাধারনই হচ্ছে কর্নেল গাদ্দাফির অনুসারি.এদিকে ২৬ মার্চ মিসরাতা শহরে ব্যাপক গোলাগুলির খবর পাওয়া যায়.শহরের পূর্ব প্রান্ত থেকে গাদ্দাফি সমর্থকরা এবং পশ্চিম প্রান্ত থেকে গাদ্দাফি বিরোধীরা গুলি ছোঁড়ে.পেন্টাগন জানিয়েছে,গতকাল বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ১৬টি টমহাক ক্রুজ মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়.
লিবিয়ায় পশ্চিমা যৌথবাহিবীর গত ২০ থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত পরিচালিত  সামরিক অভিযানে নিহতের সংখ্যা ১০০ ছাড়িয়ে গেছে.আহত হয়েছে অন্তত অর্ধশতাধিক. লিবিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রনালয়ের মূখপাত্র খালেদ ওমর ত্রিপলীতে এক সংবাদসম্মেলনে এই কথা জানিয়েছেন.তবে কতজন বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছে তা ঐ বিবৃতিতে জানানো হয় নি. উল্লেখ্য,লিবিয়ার নেতা মুহাম্মর গাদ্দাফিকে অপসরনের দাবীতে ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময় থেকে দেশটিতে আন্দোলন চলছে.
উত্তর আফ্রিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি যা চলতি সপ্তাহে স্বয়ং রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরোভের কাছে বিশেষ গুরূত্ব পেয়েছে.সম্প্রতি মিসর ও আলজেরিয়া সফরে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের এই শীর্ষনেতা গাদ্দাফি’র স্বৈরাচারী শাসন দমনে পশ্চিমাবাহিনীর সামরিক অভিযানের বিষয়ে কথা বলেন.
গাদ্দাফি বিরোধী অস্ত্রধারী লিবিয়ার বিদ্রোহীরা ২৫ মার্চ বিকেলে দেশটির গুরুত্বপূর্ণ শহর  আদজদাবিয়া দখল করেছে.স্বল্প আয়তনের এই শহরটি বিদ্রোহীদের অধীনে থাকা বেনগাজিকে অবমুক্ত করার জন্য লিবীয় সেনাদের অন্যতম পথ বলে পরিচিত.একাধিকবার শহরের নিয়ন্ত্রনভার পরিবর্তন হয়েছে.এদিকে আরব টেলিভিশন চ্যানেল জানিয়েছে,২৫ মার্চ গাদ্দাফির সেনারা ত্রিপলি থেকে ২০০ কিলোমিটার পূর্বের মিসুরাতা শহরে ব্যপক গোলাবর্ষন হয়েছে.
আফ্রিকার দেশগুলোকে নিয়ে গঠিত সংস্থা আফ্রিকান ইউনিয়ন ২০ মার্চ এক বিবৃতিতে লিবিয়ার ভূখন্ডে সামরিক অভিযান দ্রুত বন্ধের দাবী জানিয়েছে.লিবিয়া পরিস্থিতি নিয়ে মৌরিতানিয়ার রাজধানী নুয়াকশোতে আফ্রিকান ইউনিয়নের বৈঠকে এই দাবী জানানো হয়.পূর্বে মৌরিতানিয়ার প্রেসিডেন্ট মোহাম্মেদ উলদ আবদেল আজিজ লিবিয়ার অভ্যন্তরে যে কোন পর্যায়ে যৌথ বাহিনীর সামরিক অভিযানের বিরোধিতা করেন.  
পশ্চিমা যৌথবাহিনী লিবিয়ার ভূখন্ডে ব্যাপক ক্ষেপোনাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে.ক্ষেপনাস্ত্র ও বিমান হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র,যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স. শনিবার বিকেলে ও রাতে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য তাদের যুদ্ধ জাহাজে থেকে ১১০টিরও অধিক টমাহক ক্রুজ মিসাইল লিবিয়ার সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে নিক্ষেপ করেছে.গোলাবর্ষন করা হয়েছে ফরাসি বিমান থেকে.রোববার শক্তিশালী ৩টি মার্কিন ক্ষেপনাস্ত্র লিবিয়ার প্রধান বিমানঘাঁটিতে ছোঁড়া হয়েছে.
লিবিয়ায় পশ্চিমা যৌথবাহিনীর বিমান ও ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫০ এ উন্নীত হয়েছে.লিবিয়ার প্রশাসনের উদ্বৃতি দিয়ে টেলিভিশন চ্যানেল সিএনএন রোববার এই সংবাদ জানিয়েছে.এর পূর্বে লিবিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ৪৮ জন নিহত এবং দেড়শ জন আহত হয়েছে বলে উল্লেখ করেছে.নতুন প্রকাশিত সংবাদে জানানো হয় যে,নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে.
লিবিয়ায় যৌথবাহিনার সামরিক অভিযানের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে মস্কো. রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রনালয়ের মূখপাত্র আলেকসান্দ্রার লুকাশেবিচ ১৯ মার্চ বিকেলে দেওয়া বিবৃতিতে এই কথা বলেন.তার ভাষায়,লিবিয়ায় হামলা চালানোর জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজুলেশনকে বেশ করেকটি দেশ অনুমোদন দিয়েছে.আলেকসান্দ্রার বলেন,লিবিয়া কর্তৃপক্ষ ও যৌথবাহিনী নিরীহ জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিয়তা প্রদানে সবধরনের কাজ করবে.
লিবিয়ার বিরুদ্ধে ১৯ মার্চ বিকেলে শুরু হওয়া পশ্চিমা বাহিনীর বিমান হামলা  ক্রমশ আরও শক্তিশালী হচ্ছে.এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন অডিসি ডোন’.ফ্রান্সের সামরিক বাহিনীর সাথে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য লিবিয়ায় ১০০-এরও বেশি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে.পশ্চিমা বাহিনী জানিয়েছে যে, তারা লিবিয়ায় বিমান ঘাঁটি ধ্বংস করবে.
আগের
1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
মার্চ 2011
ঘটনার সূচী
মার্চ 2011
1
3
4
5
9
10
13
14
15
16
17
18
19
21
22
23
24
25
28
29
30