রাশিয়ার দ্যুমায় ২৫শে জানুয়ারী ২০১১ সালে নূতন চুক্তি গৃহীত হয়েছে, আর দেশের রাষ্ট্রীয় সভায় (পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ) – ২৬শে জানুয়ারী. রাশিয়ার পার্লামেন্ট এই দলিলকে বেশ কিছু বাড়তি যুক্তি সমেত গ্রহণ করেছে ও দলিল গ্রহণ সংক্রান্ত আবেদন পত্র স্বীকার করেছে.

এই চুক্তির ফলে আইনত স্ট্র্যাটেজিক আক্রমণাত্মক অস্ত্রসজ্জার সঙ্গে স্ট্র্যাটেজিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও যোগ করা সম্ভব হয়েছে. এছাড়া, এই চুক্তি স্বাক্ষরের সময়ে রাশিয়ার তরফ থেকে এক বিশেষ বক্তব্য যোগ করা হয়েছে, রাশিয়ার সম্ভাব্য চুক্তি থেকে অপসরণ সম্বন্ধে, যদি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত বিশাল রকেট প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা রাশিয়ার জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী হয়, তা হলে.

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা এবং দিমিত্রি মেদভেদেভ ২০১০ সালের ৮ই এপ্রিল প্রাগ শহরে এই দলিলে স্বাক্ষর করেছিলেন. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের সেনেটে এই চুক্তি গ্রহণের পরে প্রয়োজন ছিল রাশিয়ার পার্লামেন্টের উভয় কক্ষেই এই চুক্তি গ্রহণ করার. এই চুক্তি উভয় পক্ষকেই আগামী সাত বছরের মধ্যে মোট যুদ্ধাস্ত্রের সংখ্যা ২০০২ সালের মস্কো চুক্তির তুলনায় একের তৃতীয়াংশ কমিয়ে ১৫৫০ টি করতে বাধ্য করবে এবং অস্ত্র পরিবহন কারী রকেটের সংখ্যা একই তুলনায় অর্ধেকেরও বেশী কমিয়ে স্ট্র্যাটেজিক পরিবাহক ব্যবস্থার সবচেয়ে কম সম্ভাব্য সংখ্যায় নিয়ে আসবে.

এই চুক্তি আইন হিসাবে গ্রহণের ক্ষেত্রে রাশিয়ার পার্লামেন্টে কিছু বাড়তি যুক্তি যোগ করা হয়েছে, যেখানে রাশিয়া কোন ক্ষেত্রে এই চুক্তি থেকে বের হতে পারে, তা পরিস্কার করে লেখা হয়েছে, তাছাড়া নতুন চুক্তি এবং রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থার মধ্যে যোগের কথা বলা হয়েছে. রাষ্ট্রপতির জন্যও বাধ্যতা মূলক ভাবে রাশিয়া প্রজাতন্ত্রের স্ট্র্যাটেজিক পারমানবিক শক্তি ক্ষেত্রে উন্নতির দায়িত্ব অর্পণ করা হয়েছে. সরকার প্রতি বছরে একবার রাশিয়ার লোকসভাকে এই চুক্তির বাস্তবায়ন সম্বন্ধে রিপোর্ট পেশ করবে, দেশের স্ট্র্যাটেজিক পারমানবিক শক্তি ক্ষেত্রে উন্নয়নের বর্ণনাও এতে থাকবে.