ইউরোপীয় পরিষদের সদস্য দেশ গুলির পার্লামেন্ট গুলির সংগঠন – একটি পরামর্শ দানের সভা, যেখানে সমস্ত সংঘ ভুক্ত দেশের পার্লামেন্টের প্রতিনিধিরা রয়েছেন.

    ইউরোপীয় সংঘের পার্লামেন্ট সংগঠনের সদস্য দেশ গুলি হল অস্ট্রিয়া, আজারবাইজান, আলবানিয়া, আন্ডোরা, আর্মেনিয়া, বেলজিয়াম, বুলগারিয়া, বসনিয়া ও গের্তসোগোভিনা, হাঙ্গেরী, জার্মানী, গ্রীস, জর্জ্জিয়া, ডেনমার্ক, আয়ারল্যান্ড, আইসল্যান্ড, স্পেন, ইতালি, সাইপ্রাস, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া, লিখটেনস্টেইন, ল্যুক্সেমবার্গ, ম্যাসেডোনিয়া, মাল্টা, মলদাভিয়া, মোনাকো, নেদারল্যান্ড, নরওয়ে, পোল্যান্ড, পর্তুগাল, রাশিয়া, রুমানিয়া, সান- মারিনা, সের্বিয়া, স্লোভাকিয়া, স্লোভেনিয়া, গ্রেট ব্রিটেন, তুরস্ক, ইউক্রেন, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া, মন্টেনেগ্রো, চেখিয়া, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন, এস্তোনিয়া.

    ইউরোপীয় পরিষদের সদস্য দেশ গুলির পার্লামেন্ট গুলির সংগঠন – ইউরোপের পার্লামেন্ট গুলির মধ্যে সহযোগিতা করার সবচেয়ে পুরনো সংগঠন. সবচেয়ে বড় পাঁচটি দেশ – যার মধ্যে রাশিয়াও পড়ে, তারা এই সংগঠনে ১৮ জন করে সদস্য প্রতিনিধি পাঠিয়ে থাকে, সবচেয়ে কম সংখ্যক সদস্য প্রতিনিধি একটি দেশ থেকে আসতে পারে- দুই জন.

    ইউরোপীয় পরিষদের সদস্য দেশ গুলির পার্লামেন্ট গুলির সংগঠন – এই সংগঠনের কাজের মধ্যে পরিষদের মহাসচিব নির্বাচন, মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে ইউরোপীয় বিচারালয়ের বিচারপতিদের নির্বাচন, নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্তি সম্বন্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, সেই সমস্ত দেশের নিজেদের উপরে নির্দিষ্ট কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি. এছাড়া সংগঠনের অধিবেশন ইউরোপীয় রাজনীতির বাস্তব সমস্যা নিয়ে আলোচনা করার জায়গা. স্ট্রাসবর্গ শহরে বছরে চারবার ইউরোপীয় পরিষদের সদস্য দেশ গুলির পার্লামেন্ট গুলির সংগঠনের কেন্দ্রীয় দপ্তরে পরিকল্পনা অধিবেশন করা হয়ে থাকে ও তা এক সপ্তাহ ব্যাপী সময় ধরে করা হয়ে থাকে.