এই সংস্থা পারমানবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ প্রয়োগের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছিল ১৯৫৭ সালে. এই সংস্থার কেন্দ্রীয় দপ্তর ভিয়েনা শহরে আন্তর্জাতিক ভিয়েনা দপ্তর). এছাড়া আন্তর্জাতিক পারমানবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ সংস্থার আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে কানাডা, জেনেভা, নিউ ইয়র্ক, টোকিও, অস্ট্রিয়া ও মোনাকো দেশে ল্যাবরেটরী এবং বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান কেন্দ্র ইতালির ত্রিয়েস্ত শহরে. এটি ইউনেস্কো নিয়ন্ত্রণ করে. রাষ্ট্রসংঘের কাঠামোর মধ্যে এই সংস্থা তৈরী করা হয়েছিল আন্তর্প্রশাসনিক স্বাধীন সংস্থা হিসাবে ও পারমানবিক অস্ত্র প্রসার রোধ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পরে এই সংস্থার কাজ আরও বিশেষ অর্থবহ হয়ে উঠেছে. কারণ প্রত্যেক দেশ যারাই এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে, তাদের পক্ষ থেকে এই সংস্থার সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি করতে হয়েছে. কোন দেশ এই চুক্তি স্বাক্ষর করে যেন গ্যারান্টি দিয়ে থাকে যে, সামরিক ক্ষেত্রে পারমানবিক শক্তি প্রয়োগ সম্বন্ধে কোন অনুসন্ধান তারা করবে না. এই সংস্থা নিতান্তই প্রযুক্তি সম্পর্কিত সংস্থা. এই সংস্থা কোন রকমের রাজনৈতিক মন্তব্য কোন দেশ সম্বন্ধে করতে পারে না. সংস্থা শুধু উপস্থিতি বাস্তব তথ্য নিয়ে কাজ করে, তার ভিত্তি সবসময়েই হল নিজেদের পরিদর্শন ও পর্যবেক্ষণের ফল. এই সংস্থার নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে দেওয়া গ্যারান্টি পারমানবিক দ্রব্যের সামরিক ক্ষেত্রে ব্যবহার বন্ধ করতে পারে না, তবে কোন দ্রব্য তার জন্য নির্ধারিত কাজে নির্দিষ্ট যন্ত্রে ব্যবহার না হলে, সে সম্বন্ধে রাষ্ট্রসংঘকে দেখার জন্য আন্তর্জাতিক পারমানবিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ সংস্থা উদ্যোগ নিতে বলতে পারে.

    এই সংস্থার ডিসেম্বর ২০০৯ সাল থেকে প্রধান হলেন – ইউকিও আমানো.