সোচী শহরে স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা রেকর্ড সংখ্যক – ২৫০০০. তাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিশেষ কেন্দ্রে তালিম দেওয়া হয়েছে. অলিম্পিকের কেন্দ্রগুলোতে কাজ করতে গিয়ে ভবিষ্যতের ইঞ্জিনিয়ার, স্থপতি, জ্বালানী শক্তি সংক্রান্ত কর্মীরা পেয়েছে এক অনন্য অভিজ্ঞতা আর বৈজ্ঞানিক গবেষণা করার একেবারেই বিরল বিষয় বস্তু. তাদের মধ্যে অনেকেই নেতৃস্থানীয় কোম্পানীদের কাছ থেকে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছে, যে সমস্ত কোম্পানীগুলো সোচী অলিম্পিকের প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে. বিদেশের সহকর্মীদের কাছ থেকে সাহায্য ও খুবই মূল্যবান বাস্তব অভিজ্ঞতা তারা পেয়েছে. একটি মুখ্য সম্মিলিত অনুষ্ঠান এই বিষয়ে হয়েছে বাত্সরিক বৈজ্ঞানিক সম্মেলন, যা করা হয় পর্যটন ও খেলা পরিচালনা ক্ষেত্রকে নিয়ে. লন্ডন, ভ্যাঙ্কুভার, বেজিং থেকে ছাত্র ও শিক্ষকরা এখানে স্বেচ্ছায় নিজেদের খেলাধূলা ও আয়োজনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছেন রাশিয়ার ছাত্রদের সঙ্গে, এই কথা উল্লেখ করে সোচী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর গালিনা রোমানোভা বলেছেন:

“এই বছরে আমাদের দেশে ইতিমধ্যেই ষষ্ঠ ছাত্র সমাজের বৈজ্ঞানিক সম্মেলন হচ্ছে. দু’বছর আমাদের কাছে এই সম্মেলনে আসছেন সেই সমস্ত শহর থেকে প্রতিনিধি দল, যারা ইতিমধ্যেই অলিম্পিকের খেলাধূলার আয়োজন করেছিল. আশা করব যে, এই অনুষ্ঠান অলিম্পিকের উত্তরাধিকারের একটা অঙ্গ হয়ে দাঁড়াবে. ছাত্ররা একসাথে নানা ধরনের গবেষণার কাজ করে থাকে, অনুষ্ঠান ছাড়াও একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে. এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা আমাদের নতুন একটা বোঝার স্তরে পৌঁছে দেয়, যেখানে আমরা বুঝতে পারি অন্যান্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সাথে কাজ করাতে আমাদের পারস্পরিক ভাবে কি লাভ হচ্ছে”.

শীতের প্রতিযোগিতার সময়ে সোচী শহরে স্বেচ্ছাসেবকদের জন্য শিবির খোলা হচ্ছে, যেখানে ছাত্ররা একে অপরের সঙ্গে মিশতে পারবে, নিজেদের অভিজ্ঞতা বিনিময় করতে পারবে. আয়োজকরা যেমন উল্লেখ করেছেন যে, এটা সমস্ত নবীন যুবক যুবতীদের জন্যই একটা বিশাল অভিজ্ঞতা আহরণের কেন্দ্র হতে চলেছে.