রাশিয়ায় এক-তৃতীয়াংশ অধিবাসী সিগারেট খায়. গত গ্রীস্মকালে কোনো সামাজিক জায়গায় ধুমপান করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল. লোকে শুধুমাত্র নিজের বাসগৃহে এবং বিশেষ করে নির্দিষ্ট জায়গায় ধুমপান করতে পারতো. ১৫ই নভেম্বর থেকে আইন অমান্যকারীদের আর্থিক জরিমানা জারি করা শুরু হয়েছে. উদাহরণস্বরূপ, রেলস্টেশনে বা নিজের অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের অলি-গলিতে কেউ ধুমপানরত অবস্থায় ধরা পরলে তাকে আর্থিক জরিমানা করা হচ্ছে দুই থেকে তিন হাজার রুবল, মানে ৬৬ থেকে ১০০ মার্কিনী ডলার. উপরন্তু অপ্রাপ্তবয়সীদের ধুমপান করতে দেখা গেলে এবং যারা তাদের নেষার জিনিষ বিক্রি করেছে, তাদের চিহ্নিত করতে পারলে, সেই সব লোকের বড়সড় আর্থিক জরিমানা হবে.

ধুমপানকারীদের এবং সিগারেট উত্পাদকদের প্রবল বিরোধিতা সত্বেও যে সব লোক এই আইনটাকে পাস করালো, সেরকমই একজন – এই সের্গেই কলেসনিকভ. শুনুন তার অগণতান্ত্রিক মন্তব্য. –

এটা মঙ্গলজনক যে, নাগরিকরা স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করতে শুরু করেছেন. আজকাল যারা বিয়ার বা হেভি ড্রিংক্স পান করে, তাদের তুলনায়ও পাশে কেউ সিগারেট খেলে লোকে বেশি অসন্তুষ্ট হচ্ছে. এই সের্গেইয়ের আওড়ানো সংখ্যাতথ্য অনুযায়ী রাশিয়ায় নাকি আগেকার ৬০ শতাংশ ধুমপায়ী পুরুষের অনুপাত কমে ৫০ শতাংশয় নেমেছে. আর তার ভাষায়, মহিলাদের নাকি যেমন নেশা ধরতে, তেমনই নেশা ছাড়তে বেশি সময় লাগে – তাই ওখানে সংখ্যাতথ্য আপাতত খাটছে না.

আর্থিক জরিমানা জারি করার পরে রাশিয়ায় নাকি খোলা জায়গায় সিগারেট খাওয়া থেকে অনেকে নিবৃত্ত হয়েছে. কিন্তু যেখানে পুলিশ-গার্ড নেই, সেখানে অনেকেই নাকি নতুন আইন লঙ্ঘন করছেন. যেমন স্কাই-স্ক্রাপারগুলোর অলিগলিতে এখনো বাসিন্দারা সিগারেট ফুঁকছেন বলে পড়শীরা অভিযোগ করছেন.