কূটনীতিবিদ মাদক পাচার বিষয়কে একটি প্রদান চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করেছেন, য়া রাশিয়ার জন্য আফগানিস্তান থেকে উদয় হয়েছে. মস্কো সেই কারণেই আগ্রহী যাতে আন্তর্জাতিক সমাজের সমস্ত সদস্যই আফগানিস্তানের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার জন্য সহায়তা করে. এই প্রসঙ্গে ন্যাটো জোটের তরফ থেকে আদর্শগত কারণে যৌথ নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে আফগানিস্তানের প্রশ্ন সমাধানের জন্য সহযোগিতার বিষয়ে কোন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না. একই সময়ে যৌথ নিরাপত্তা সংস্থা ও সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার কাঠামোর মধ্যে রাশিয়া ও তার সহকর্মী দেশরা আফগানিস্তানের পরিস্থিতির উপরে প্রাথমিক স্তরের গুরুত্ব দিচ্ছে, যেখান থেকে ন্যাটো জোট ২০১৪ সালে সৈন্য বাহিনী প্রত্যাহার করতে চলেছে.

রাশিয়া সহকর্মীদের সাথে ইরান নিয়ে আরও প্রসারিত ভাবে পরস্পরের পক্ষে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে বলে কূটনীতিবিদ যোগ করেছেন. লাভরভ উল্লেখ করেছেন ইরানের পারমাণবিক সমস্যা সমাধানে ছয় মধ্যস্থতাকারী পক্ষের তরফ থেকে ইতিবাচক অগ্রগতির কথা. একই সঙ্গে মস্কো মনে করে যে, ইরানের পারমাণবিক পরিকল্পনা সমাধানের ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফ থেকে রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থার ইউরোপীয় অংশ তৈরী করার প্রয়োজন ফুরিয়ে যাচ্ছে, তথাকথিত “ইউরোপ্রো” ব্যবস্থা. রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে কথা বলতে গিয়ে লাভরভ বলেছেন যে, দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে “একসারি বিরক্তির” কারণ রয়েছে, যাতে এই “প্রো” ব্যবস্থা মোটেও শেষের পংক্তিতে নেই.

তাছাড়া, তিনি উল্লেখ করেছেন রুশ প্রজাতন্ত্রের জন্য গ্রহণযোগ্য নয় যে, পশ্চিম ইউক্রেনের উপরে চাপ সৃষ্টি করতে চাইছে মস্কোর সঙ্গে চুক্তি করার পরে ইউরোপীয় সমাকলন বেছে নেওয়ার প্রশ্নে. কূটনীতিবিদ বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, রাশিয়া ও ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতিরা যে চুক্তি করেছেন, তা দুই দেশের মধ্যে পরস্পরের জন্য লাভজনক সহযোগিতার দিকে লক্ষ্য রেখে করা হয়েছে ও আগের সমস্ত যোগাযোগ পুনরুদ্ধার করার জন্যই করা হয়েছে.