পলিথিলিনের বিকল্প হিসাবে নতুন আহারযোগ্য যে বস্তুটি প্রস্তাব করা হচ্ছে, তাকে খাবারের সাথেই নির্দ্বিধায় উদরস্থ করা যাবে. এই প্রসঙ্গে বলছেন আস্ত্রাখান পলিটেক ইউনিভার্সিটির পি-এইচ ডি ফেলো মারিয়া নিকুলিনা. –

আমাদের উদ্ভাবন করা দ্রব্যটির বিশেষত্ব হচ্ছে এই যে, তার ৯০ শতাংশই আহারযোগ্য, সুস্বাদু খাদ্যদ্রব্য দিয়ে বানানো. আর বাকি ১০ শতাংশ, যা মোড়কের গঠনটা তৈরী করে, তার মধ্যেও আছে রোগ নিরামক সব পদার্থ.

অবশ্যই খাদ্যদ্রব্যের মোড়ক নির্দ্বিধায় উদরস্থ করার প্রস্তাবে যে কোনো ক্রেতা আঁতকে উঠতে পারে. কিন্তু উদ্ভাবকরা তাদের ব্যাখ্যামুলক টীকায় লিখছেন যে, এই নতুন বস্তুটি ফুটন্ত জলে সাধারণ ঝোলে পরিণত হয় এবং তারা বাস্তবে সেটা করে দেখাতে প্রস্তুত. প্রোজেক্টটির মুখ্য-আধিকারিক আলবের্ত নুগমানভ বলছেন, যে এই জৈব মোড়ক মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে একেবারেই ক্ষতিকর নয়, বরঞ্চ সেখানে স্বাস্থ্যের পক্ষে উপযোগী কিছু দ্রব্যও আছে. –

আমরা ঐ মোড়কে প্যাক করা খাবার খেয়ে দেখেছি, একেবারেই নিরাপদ. ওই ফয়েলে ব্যবহৃত সবকিছু স্বাস্থ্যমন্ত্রকের অনুমোদিত তালিকার অন্তর্ভুক্ত.

নবীন বিজ্ঞানীরা ইতিমধ্যেই এই নতুন মেটেরিয়ালের জন্য পেটেন্ট পাওয়ার আবেদনপত্র পাঠিয়েছেন. পেটেন্ট পেলেই তারা বড়মাপে উত্পাদনে হাত লাগাতে চান.