একটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা, যা ভ্লাদিমির পুতিনের গভীর মনোযোগের দাবী করেছে, তা ভ্লাদিমির পুতিনের মতে আজ হল বিশ্বে হিংসার বাড়বাড়ন্ত. রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেছেন যে, ২০১৪ সালে রাষ্ট্র নিরাপত্তা বিষয়ে নতুন রকমের হুমকি ও চ্যালেঞ্জের সামনে পড়তে পারে, তাই তিনি বলেছেন:

“নিকটপ্রাচ্যের কিছু দেশে সশস্ত্র বিরোধ, আফগানিস্তান থেকে ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক বাহিনী প্রত্যাহার শুধু এই দেশেই পরিস্থিতিকে জটিল করবে না, বরং প্রতিবেশী মধ্য এশিয়ার দেশগুলোতেও বিশাল এলাকা জুড়ে অস্থিতিশীলতার সৃষ্টি করতে পারে, যা সরাসরি ভাবেই রাশিয়ার জাতীয় স্বার্থকে ও আমাদের নিরাপত্তাকে স্পর্শ করে”.

একই সঙ্গে ভ্লাদিমির পুতিন উল্লেখ করেছেন যে, নানা রকমের শান্তিপ্রিয় ঘোষণা স্বত্ত্বেও বেশ কিছু বিদেশী সহকর্মী দেশ সক্রিয়ভাবেই নিজেদের সামরিক ক্ষমতা বৃদ্ধি করছে, এই প্রসঙ্গে তিনি আরও যোগ করেছেন:

“বেশীর ভাগ নেতৃস্থানীয় দেশ সক্রিয়ভাবে নিজেদের সামরিক সম্ভার বৃদ্ধি করছে, ভবিষ্যতে সম্ভাবনাময় অস্ত্র ও প্রযুক্তি নির্মাণে প্রচুর অর্থ লগ্নি করছে, ইতিমধ্যেই তৈরী হয়ে যাওয়া ও একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি ক্ষেত্রে, আর একেবারেই নতুন ধরনের নীতির উপরে নির্ভর করে. স্ট্র্যাটেজিক ভারসাম্যকে ধুয়ে দেওয়ারও চেষ্টা করা হচ্ছে অবিরল ভাবেই. প্রাথমিক ভাবে এগুলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রকেট প্রতিরোধ ব্যবস্থা তৈরী ও তারই সঙ্গে ইউরোপীয় এলাকাতেও এই কাজ করার জন্যই”.

রুশ সামরিক বাহিনীর সর্বময় কর্তা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের সঙ্গেও লড়াইয়ে নির্দিষ্ট অগ্রগতির কথা বলেছেন. তিনি উল্লেখ করেছেন যে, এই কারণে রাশিয়ার সামরিক বাহিনীতে বিশেষ ধরনের নতুন গোষ্ঠী তৈরী করা হচ্ছে, তাই তিনি বলেছেন:

“আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে আরও সাফল্য মণ্ডিত মোকাবিলা করার জন্য ও রাশিয়ার বাইরেও নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করার জন্যই স্পেশাল টাস্ক ফোর্স তৈরী করা হচ্ছে. খুবই ভাল ধরনের সহযোগিতার উদাহরণ দেখতে পাওয়া গিয়েছে রাশিয়া- বেলোরাশিয়া স্ট্র্যাটেজিক প্রশিক্ষণ – “পশ্চিম-২০১৩” হওয়ার সময়ে, আর তারই সঙ্গে যৌথ নিরাপত্তা সংস্থার জোট সদস্যদের কয়েকটি দেশের বাহিনীদের সঙ্গে ও স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহের বাহিনীদের সঙ্গেও. আমাদের জোট সঙ্গীদের সঙ্গে আমরা নিরাপত্তা ক্ষেত্রে সম্ভাব্য হুমকি ও চ্যালেঞ্জের মোকাবিলা অনেক ভাল করেই করতে পারব আর এই ধরনের যোগাযোগের বিষয়ে যে সমস্ত ব্যবস্থা রয়েছে, সেগুলোকেও নিয়মিত ভাবে শান দিয়ে নিতে হবে”.

রাষ্ট্রপতি রুশ দেশের আর্কটিক এলাকাতেও সামরিক বাহিনীর গোষ্ঠী তৈরী করার কথা উল্লেখ করেছেন. এর জন্য তিনি ২০১৪ সালে সম্ভাব্য সামরিক গোষ্ঠী তৈরী করার কাজ, যাতে নতুন দল ও সামরিক ঘাঁটি যোগ হতে চলেছে, সেগুলোকে শেষ করতে বলেছেন.