নতুন এ সিদ্ধান্তের উদ্দেশ্য হচ্ছে, এখন থেকে যেন মার্কিন সেনারা ড্রোন হামলার ক্ষেত্রে আরও যেন সতর্কতা অবলম্বন করে।

মূলত এখনকার সময়ের চেয়ে ভবিষ্যতে যুদ্ধক্ষেত্রে ড্রোন অনেক বেশি ব্যবহার করা হবে সেই ইঙ্গিতই দিয়েই মার্কিনীরা আমাদের তৈরী করেছেন ভবিষ্যতের জন্য। এমনটি বলছেন রুশ প্রেসিডেন্টের রকেট বিরোধী প্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যকরী দলের সদস্য ভ্লাদিমির কাজিন। তিনি বলেন, "আন্তর্জাতিক পরিকল্পনায় তেমন কোন বিরোধীতা করার সূত্র নেই। তাই যুদ্ধের কাজে সেনাবাহিনীর বহরে থাকা ড্রোন ব্যবহার করার জন্য আন্তর্জাতিক চুক্তিপত্র সই করার প্রয়োজন রয়েছে। কোন চুক্তি না থাকায় আজ পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এর স্বীকার। লিবিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধেও একই সূত্র ব্যবহার করা হয়েছিল মার্কিন সোনা কর্মকর্তা ও শীর্ষ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামরিক শক্তির প্রসার ঘটানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন যা কয়েক হাজার কিলোমিটার দূরেও আঘাত হানতে সহায়তা করবে।"

আন্তর্জাতিক দৃষ্টিকোন থেকে এক অর্থে যুদ্ধকালিন সময়ে কেউ নিহত হলে কোন আইনভঙ্গ হচ্ছে বলে বিবেচিত হবে না যদি দুই দেশ যুদ্ধকালিন সময়ে অবস্থান করে।

যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত নয়। আর সেই অর্থে পাকিস্তানের ভূখন্ডে মানুষ হত্যা করা বেআইনি বলে গন্য করা যায়। শুধু এই কারণেই ড্রোনের আঘাতে নিহত হওয়ার কোন বিচার করা হয় না এমনটি মনে করছেন কার্নেগী স্ট্রাটেজিক সেন্টারের পরিচালক ইভান কানাবালোভ। রেডিও রাশিয়াকে তিনি বলেন, "এ কথা ঠিক যে সেনাদের চেষ্টা করা উচিত যাতে বেসামরিক মানুষজনের প্রাণহানি না ঘটে আইনি দিক দিয়ে বেসামরিক মানুষজন নিহত হবে না সেটাই হওয়া উচিত আর চালকবিহীন ড্রোন হামলা থেকে বেসামরিক মানুষজনের মারা যাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে আর এ কারণেই ড্রোন হমলা নিয়ে বিতর্ক ও সমালোচনা বেড়েই চলেছে জাতিসংঘে এর একটা সুরহা করার এখন সময়ে এসেছে।"

তবে নিশ্চত হয়েই বলা যেতে পারে যে, পেন্টাগনের ভবিষ্যত লক্ষ্যমাত্রা যাই হোক না কেন মার্কিন ড্রোন হামলার ফলে নিহতের সংখ্যা শুধুই বাড়ছে ।