“যখন সাধারণ টেলিফোন স্লিপিং মোডে থাকে, তখন ডিসপ্লে বন্ধ করা থাকে আর দরকার পড়ে প্রত্যেকবারই এটাকে অন করার ও কোন না কোন অ্যাপ্লিকেশন চালু করার. পরিসংখ্যান অনুযায়ী লোকে এই কাজ করে থাকেন দিনে প্রায় দেড়শো বার করে, যা প্রায়ই কোন কাজে লাগে না. আর যখন সবসময়ে কাজ করছে এমন ডিসপ্লে থাকে, তখন কোন খবর পাওয়ার জন্য আলাদা করে টেলিফোন চালু করার কোন দরকার পড়ে না. আপনারা এই ফোনকে স্রেফ আগে থেকে পছন্দমত করে তৈরী করে নিতে পারেন যাতে আপনাদের প্রয়োজনীয় খবর পিছনের ডিসপ্লে সবসময়ে চালু অবস্থায় দেখাতে পারে – সেটা টুইটার, ফেসবুক অথবা শেয়ারের বাজারের বা অন্য যে কোন রকমের খবর হতে পারে. তা কখনই নিভে যাবে না. সবসময়েই চালু. আর তার ফলে আপনারা রিয়াল টাইম মোডে সমস্ত টাটকা খবর ও ঘোষণা দেখতে পারবেন. এটাই এটার বিরল সুবিধা”.

তাছাড়া, পিছনের প্যানেল ইলেকট্রনিক বই হিসাবেও ব্যবহার করা সহজ – এই ধরনের ডিসপ্লে থেকে পড়া, লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লের থেকে চোখের জন্য যথেষ্ট আরামদায়ক, আর এই সময়ে ব্যাটারীর চার্জ প্রায় খরচই হয় না. উত্পাদকরা ঘোষণা করেছেন যে, কোন রকমের আলাদা করে চার্জ না করেই এই ফোন কাজ করতে পারে পড়ার মোডে ৫০ ঘন্টা আর ৩জি নেটওয়ার্কে কথা বলার মোডে ১৫ ঘন্টা.

এই যন্ত্রের প্রস্থ মাত্র ১০মিলিমিটার, ওজন ১৪৬গ্রাম. কাজ করে অ্যানড্রয়েড প্ল্যাটফর্মে. তাতে ডুয়্যাল কোর প্রসেসর স্ন্যাপড্রাগন রয়েছে, তার রম ২জিবি আর ইন্টারন্যাল মেমরি ৩২জিবি, দুটো ক্যামেরা রয়েছে একটা ১ ও অন্যটা ১৩ মেগাপিক্সেল ক্ষমতা সম্পন্ন. এই টেলিফোন জোড়া হচ্ছে সিঙ্গাপুরের হাই-পি (Hi-P) কোম্পানীতে, তার জন্য রঙীণ ডিসপ্লে উত্পাদন করে জাপান ডিসপ্লে কোম্পানী আর সাদা-কালো ডিসপ্লে তাইওয়ানের ই-লিঙ্ক কোম্পানী. তা স্বত্ত্বেও, এই ইওটাফোন – শতকরা একশ ভাগ রাশিয়ার আবিষ্কার, তা তৈরীর জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে পাঁচটা পেটেণ্ট করা রুশী আবিষ্কার. এই গ্যাজেট রাশিয়া ও বিদেশের বহু বিশেষজ্ঞের জন্যই আগ্রহের কারণ হয়েছে.

রাশিয়ার লোকদের জন্য এই নতুন ধরনের ফোনের দাম পড়ছে ১৯৯৯০ রুবল. বিদেশে এই ফোনের দাম বলা হয়েছে ৪৯৯ ইউরো. আজ ইওটাফোন রাশিয়াতেই কিনতে পাওয়া যাচ্ছে, আর তারই সঙ্গে অস্ট্রিয়া, জার্মানী, স্পেন ও ফ্রান্সেও কিনতে পারা যাচ্ছে. কিন্তু ২০১৪ সালেই এই স্মার্টফোন ইউরোপের অন্যান্য দেশে ও নিকটপ্রাচ্যে কিনতে পারা যাবে.