ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয় এ কারণে যে, অপরাধীরা রেলের লাইন সরিয়ে নিয়েছিল. বর্তমানে চারজন নিহতের দেহ পাওয়া গেছে, তবে তাদের সংখ্যা বাড়তে পারে. শৃঙ্খলারক্ষীরা দুজন সন্দেহভাজনকে আটক করার খবর জানিয়েছে. এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী পার্টির দ্বারা “যানবাহনের অবরোধ” ঘোষণার পটভূমিতে. এ অবরোধের সময় বিএনপি-র সক্রিয় কর্মীরা পুলিশ ও কর্তৃপক্ষের সমর্থকদের আক্রমণ করছে, ট্রেন ও মোটরগাড়ি পুড়িয়ে দিচ্ছে.