বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, সিরিয়া বিষয়ক জেনেভা শান্তি সম্মেলন যত তাড়াতাড়ি আয়োজন করা যায় সে জন্য মস্কো সর্বাত্বক চেষ্টা করে যাচ্ছে। পুতিন বলেন, সিরিয়ার কর্তৃপক্ষকে আর তা বোঝানোর জন্য গুরু দায়িত্ব নিয়েছে রাশিয়া। আমাদের দায়িত্বে থাকা অংশের কাজ ইতিমধ্যে আমরা শেষ করেছি। এখন আমাদের সহযোগিদের কাজ এখনও বাকি রয়েছে। তা হচ্ছে বিরোধীদের রাজি করানো। কিন্তু আমরাও হাতগুটিয়ে বসে নেই। এই জন্যই আমরা সিরিয়ার বিরোধী জোটের প্রতিনিধিদের মস্কোয় আসার আহবান জানিয়েছি যাতে তারা আবারও আলোচনা করার সুযোগ পায়। মূলত এই বিষয়ে আমি তু্র্কি প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলেছি। শুধু তাই সম্প্রতি আমি সৌদি আরবের বাদশাহ, ইরান এবং সিরিয়ার প্রেসিডেন্টদের সাথেও টেলিফোনে আলাপ করেছি। আমরা এই পথে সামনে এগিয়ে যাচ্ছি। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট তুর্কি প্রধানমন্ত্রীর সাথে পুরোপুরি একমত পোশন করে বলেন, “সময় অপচয় করার ঠিক হবে না এবং সিরিয়ার ভাগ্য দেশটির জনগনকেই নির্ধারণ করতে হবে।“

এদিকে ভ্লাদিমির পুতিন ও রিসেপ তাইয়েপ এরদোগান রুশ-তুর্কি সম্পর্ক বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

জার্মানির পরে রাশিয়াই হচ্ছে তুরস্কের দ্বিতীয় বানিজ্যিক সহযোগি দেশ। গতবছর দুই দেশের মধ্যে বানিজ্যের পরিমান ছিল ৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর তুরস্কের অর্থনীতিতে অন্তত দেড় বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে রুশ ব্যাবসায়িরা। আর রাশিয়ার বাজারে তুরস্কের বিনিয়োগ হচ্ছে ৭৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এছাড়া অবকাঠামো নির্মান ও গাড়ি শিল্পে দুই দেশ একযোগে কাজ করেছে।

এদিকে দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে জ্বলানি, উন্নত প্রযুক্তি ও তথ্য রাজনীতিতে একসারি চুক্তিপত্র সই হয়েছে।