এই মিউজিয়ামের বুনিয়াদ গড়া হয়েছিল ২০০৪ সালে, যখন ভিক্তর ভেক্সেলবার্গ ‘সোথবিস’-এর নীলাম থেকে সেই মুহুর্তে বিশ্বে উনবিংশ শতাব্দীর রাশিয়ার বৃহত্তম অলঙ্কার শিল্পকলার সংগ্রহ ক্রয় করে রাশিয়ায় নিয়ে এসেছিলেন. তার আগে ঐ সংগ্রহ ছিল আমেরিকার মিডিয়া ম্যাগনেট ম্যালকম ফোর্বসের হেফাজতে. ২০০ লট ভিক্তর ভেক্সেলবার্গ তখন পাইকারি হারে ক্রয় করেছিলেন ১০০ মিলিয়ন ডলার দিয়ে, যে অঙ্কটা মানুষজনকে তখন চমত্কৃত করেছিল. কিন্তু স্বয়ং ভেক্সেলবার্গ এই প্রসঙ্গে বলছেন –

যা ক্রয় করা হয়েছে, তা অমূল্য. আমি অর্থের নিরিখে এর মূল্যায়ণ করতে চাই না. আমাদের তহবিলের কর্মকান্ডের আওতায় আমরা যে সংগ্রহশালা বানাতে পেরেছি, অর্থ দিয়ে তার পরিমাপ হয় না.

বিগত দশ বছরে সংগ্রহ বহুগুণ বেড়েছে. ২০০৪ সালে ফাবেরঝের শিল্পকর্ম কেনার পর তহবিলটি সর্বত্র ঐতিহাসিক রুশী শিল্পকলা কিনতে শুরু করে ও রাশিয়ায় ফিরিয়ে আনতে থাকে. তবে সদ্য দ্বারোদ্ঘাটিত মিউজিয়ামের সংগ্রহশালায় সবচেয়ে দামী শিল্পকর্মগুলি ঐ জিনিয়াস ফাবেরঝের সৃষ্টি. ‘রেডিও রাশিয়া’কে দেওয়া সাক্ষাত্কারে এই সম্পর্কে বলছেন মস্কো ক্রেমলিন মিউজিয়ামের বিশেষজ্ঞা তাতিয়ানা মুন্তিয়ান. –

এই সংগ্রহের মধ্যে আছে জার পরিবারের ৯টি ইস্টার ডিম্ব, যা বরাত পেয়ে বানিয়েছিলেন কার্ল ফাবেরঝে. এবং গোটা বিশ্বে এটা দ্বিতীয় বৃহত্তম এরকম সংগ্রহ. এর চেয়ে আর মাত্র একটি ডিম্ব বেশি আছে আমাদেরই মস্কো ক্রেমলিনের আর্মারিসে(অস্ত্র মিউজিয়ামে).

বহুমূল্য দ্রষ্টব্য বস্তুগুলি পেয়েছে যথাযথ ফ্রেমঃ মিউজিয়ামের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে পিটার্সবার্গ নগরীর কেন্দ্রস্থলে শুভালভদের চোখজুড়ানো প্রাসাদ. ফাবেরঝে মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠা করার জন্য এর প্রাক্কালে শুভালভ প্রাসাদটির খোলনলচে ধরে মেরামত করা হয়েছে.