মনে করিয়ে দিই যে, “সইউজ” অলিম্পিকের আগুন নিয়ে “বৈকনুর” মহাকাশ উড়ান কেন্দ্রের সেই প্রথম মহাকাশ উড়ান মঞ্চ থেকে রওয়ানা হয়েছে, যেখানে থেকে বিশ্বের প্রথম মহাকাশচারী ইউরি গাগারিন মহাকাশে গিয়েছিলেন.

এই উড়ান – একটি বিখ্যাত ঘটনা শুধু রাশিয়ার মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসের জন্যই নয়, বরং অলিম্পিকের ইতিহাসের জন্যও বটে, এই কথা উল্লেখ করে রুশ প্রজাতন্ত্রের প্রশাসনের সহসভাপতি দিমিত্রি কজাক বলেছেন:

“এটা খুবই মনে রাখার মতে ঘটনা, যা ভোলা যায় না. এখানে আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন. এই প্রথম অলিম্পিকের প্রতীক উন্মুক্ত মহাকাশ ঘুরে আসবে. আমরা রসকসমস সংস্থার সাথে এই প্রোগ্রাম তৈরী করেছি. মহাকাশ গবেষণা – এটা আমাদের দেশের সাফল্য, আমাদের উচিত্ এটাকেই দেখানো ও সারা বিশ্বের মনোযোগ আকর্ষণ করা”.

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এই মশালের রিলে গ্রহণ করেছেন রাশিয়ার মহাকাশচারী ওলেগ কোতভ ও সের্গেই রিয়াজানস্কি, যাঁরা ৯ই নভেম্বর এই মশাল হাতে উন্মুক্ত মহাকাশে বের হবেন. ১১ই নভেম্বর মহাকাশ যাত্রীদল, যাঁদের মধ্যে ফিওদর ইউরচিখিন, আমেরিকার কারেন নাইবার্গ ও ইতালির লুকা পার্মিতানো থাকবেন, তাঁরাই এই মশাল ফিরিয়ে নিয়ে আসবেন মাটিতে. সেই মশাল থেকেই অলিম্পিকের আগুন জ্বালা হতে চলেছে আগামী শীতের ফেব্রুয়ারীতে সোচী শহরের শীত অলিম্পিকের মুখ্য স্টেডিয়ামে.