এই নতুন সমারোহটির কর্তব্য – “লক্ষ্যভেদ করলি, সে সম্পর্কে ভুলে গেলি. শুধু লক্ষ্যবস্তুটা স্থির করলেই হল. বাকি কাজটা রকেট সমারোহ নিজেই সম্পন্ন করবে”.

প্রতিপক্ষের প্রযুক্তি ব্যবস্থার উপর নজর রাখে একইসাথে পাশাপাশি কয়েকটা সিস্টেম. যেমন সূক্ষ ও বিস্তৃত পরিসরের থার্মাল ও টেলি ক্যামেরা তেমনই লেজার ফাইন্ডার. এই প্রযুক্তিগুলো যে কোনো আবহাওয়ায় ২৪ ঘন্টার মধ্যে যে কোনো সময়ে ১০ কিলোমিটার দূরত্ব পর্যন্ত যে কোনো লক্ষ্য অনায়াসে ভেদ করতে পারবে.

এমনকি সুপার হিরোদের পক্ষে ঈর্ষাজনক রকেট সমারোহটির সামর্থ্য শুধু এতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না. ট্যাঙ্ক-প্রতিরোধী সিস্টেমটির অন্যতম উদ্ভাবক ইগর চের্নোস্ভিতভ বলছেন, যে ভূমিতে লক্ষ্য নির্ণয় করার পাশাপাশি শূন্যেও লক্ষ্যভেদ করতে পারবে সিস্টেমটা.

নতুন রকেট সমারোহ ৮টা লক্ষ্য ভেদ করতে সমর্থ এবং অতিদ্রুত নিজেকে রি-চার্জ করে নিতে পারবে. সিস্টেমে ৮টা স্পেয়ার রকেটও মজুত থাকবে. এই নতুন রকেট সমারোহ অতুলনীয়. এখনই ‘টাইগার’-এর মতো জিপ-বুলডোজারে এরকম সিস্টেম বসানো সম্ভব. দ্রুতগতিসম্পন্ন ট্যাঙ্কেও এই সিস্টেম ফিট করা যায়. সিস্টেমটা নিজেই নিজেকে রি-চার্জ করে নিতে পারে.