কেরির সফর এই দেশে হচ্ছে মুর্সি ও বর্তমানে সেই দেশে নিষিদ্ধ “মুসলমান ভাইদের” দলের আরও ১৪ জন নেতার উপরে বিচারের আগে, যা করা হচ্ছে রাষ্ট্রপতির প্রাসাদের সামনে “আল-ইত্তিহাদিয়া” স্কোয়ারে গত বছরের শেষে মিছিলকারীদের হত্যা করার অভিযোগে. বিচারকে গণ বিদ্রোহ দিয়ে চলতে না দেওয়ার যে হুমকি ঐস্লামিকেরা দিয়েছে, তা স্বত্ত্বেও এই বিচারকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে.

নিকট প্রাচ্যের দেশগুলিতে জন কেরির সফরের প্রথম জায়গা হয়েছে কায়রো. কায়রো ও ওয়াশিংটনের সম্পর্ক বিগত মাসগুলোতে আরও খারাপই হয়েছে. ইজিপ্টে একাধিকবার সরাসরি ও বক্রভাবে আমেরিকার প্রশাসনের পক্ষ থেকে “মুসলমান ভাইদের” দলকে সমর্থন ও অর্থ সাহায্যের বিষয়ে দোষ দেওয়া হয়েছে. মুর্সিকে প্রশাসন থেকে সরিয়ে দেওয়ার পরে ওবামার প্রশাসন থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল যে, কায়রোকে আর ভারী অস্ত্র ও যুদ্ধ বিমান সরবরাহ করা হবে না ও সামরিক সহায়তা হিসাবে অর্থ সাহায্য বন্ধ করা হবে, তারই সঙ্গে বাত্সরিক সম্মিলিত মহড়াও বন্ধ রাখা হবে.