রাশিয়ার ইতিহাসে এই প্রথম ও বিশ্বের ইতিহাসে দ্বিতীয়বার এই উপলক্ষে ব্যাঙ্ক নোট ছাপা হয়েছে. এর আগে স্মারণিক ব্যাঙ্ক নোট শুধু ২০০৮ সালে বেজিং অলিম্পিক উপলক্ষে ছাপা হয়েছিল. এই নতুন টাকার ডিজাইন যে করেছে, সেই সেন্ট পিটার্সবার্গের আর্ট একাডেমীর ছাত্র পাভেল বুশুয়েভ জানিয়েছে যে, সে প্রথমে ঠিক করেছিল এক ফিগার স্কেটিং করা মেয়ের ছবি আঁকবে, তবে তার পরে ঠিক করেছিল নতুনত্বের উপরেই বেশী করে জোর দিতে ও বেছে নিয়েছিল এক স্নো বোর্ড খেলোয়াড়ের লাফ দিয়ে ওঠার উলম্ব চিত্র. টাকার অন্য পিঠে রয়েছে এক আগুনে পাখীর ছবি, যে সোচীর অলিম্পিক স্টেডিয়ামের উপরে দিয়ে উড়ে যাচ্ছে.

নতুন টাকার সব মিলিয়ে ছাপার সংখ্যা এক কোটির কম নয়. ২৯শে অক্টোবর থেকে রাশিয়ার প্রত্যেক বাসিন্দাই নতুন ১০০ রুবলের নোটে খুচরো ফেরত পেতে শুরু করে থাকতে পারেন. কিন্তু এই নতুন ছাপা রুবলের একাংশ বাজারে আনা হয়েছে স্যুভেনিরের মত করে. এই ধরনের নোট বিক্রী করা হবে অলিম্পিকের প্রতীক হিসাবে বিশেষ ধরনের দোকান থেকে. যাঁরা এই রকমের মুদ্রা জমান, তাঁদের কিছু অংশ ইতিমধ্যেই এই নোটের জন্য শিকার করা শুরু করেছেন, এই কথা উল্লেখ করে মুদ্রা সংগ্রাহক ইউরি গুকাসভ বলেছেন:

“অনেক সংগ্রাহকই খেলাধূলার স্মারণিক মুদ্রা জমিয়ে থাকেন. এর আগে হওয়া অলিম্পিকের ব্যাঙ্ক নোট ইতিমধ্যেই দুষ্প্রাপ্য হয়েছে ও তা এখন বেশ দামী. তাতে রয়েছে অলিম্পিক স্টেডিয়ামের আঁকা ছবি. এখন তা তার নিজস্ব মূল্য দেড় ডলারের সমান অর্থাত্ ১০ ইউয়ানের চেয়ে প্রায় একশ গুণ বেশী দামী হয়েছে”.

এই ধরনের বিরল ব্যাঙ্ক নোট ছাড়াও রাশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক ইতিমধ্যেই প্রায় চল্লিশ রকমের চেয়ে বেশী নানা মূল্যের ধাতব মুদ্রা ও বিনিয়োগের মুদ্রা বের করেছে এই ২০১৪ সালে হতে যাওয়া সোচী শহরের শীত অলিম্পিকের প্রতীক সমেত.