কোনো সরকারি কর্মচারিকে পদচ্যুত করার সময় ‘আস্থার অভাব’ – এই অভিযোগটি খাঁড়া করা হয়, যখন তার দুর্নীতি সম্পর্কে কোনো সন্দেহের ছায়া পড়ে. এটা সম্ভবপর হয়েছে ২০১১ সালে ‘রাষ্ট্রীয় পরিচালনার ক্ষেত্রে দুর্নীতির মোকাবিলা’ সংক্রান্ত আইন গৃহীত হওয়ার পরে. স্বাধারণতঃ এরকম পদচ্যুতির পরে তাদের পেছনে লাগে গোয়েন্দা বিভাগ. অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শেষপর্যন্ত কারাগারই তাদের ভাগ্যলিপি.

আজকের দিনে রাশিয়ায় দুর্নীতিরোধের জন্য একসারি আইন প্রনয়ণ করা হয়েছে. যেমন, সরকারি কর্মচারীরা ব্যবসা করতে পারবেন না, কোনো বাণিজ্যিক সংস্থায় মাইনের ভিত্তিতে নিযুক্ত থাকতে পারবেন না, কোনো বিদেশী বেসরকারি সংস্থায় নিযুক্ত থাকতে পারবেন না. উপরন্তু, অতঃপর তারা বাধ্য তার নিজস্ব এবং পরিবারের অন্যান্যদের আয় এবং সম্পত্তির আইনানুগ তথ্যাবলী পেশ করতে. মানে, দুর্নীতিরোধের ব্যবস্থা সুদূরপ্রসারিত. জাতীয় দুর্নীতি নিরোধক কমিটির চেয়ারপার্সন কিরিল কাবানভ বলছেন যে, দুর্নীতিপরায়ন অপরাধের কথা বলতে গেলে বলতে হয় যে, এ ক্ষেত্রে এখনো আইনি ব্যবস্থা আরও কড়া করা দরকার. –

আমরা এখন রাষ্ট্রপতির বিবেচনার জন্য নতুন প্রস্তাব তৈরী করছি, যাতে দুর্নীতিমুলক স্কিমগুলো প্রশ্রয় না পায়. যাতে আমাদের তথাকথিত নীচের মহলের দুর্নীতির জন্য আর্থিক জরিমানা দিতে হয়, ওদের জন্য এটা সবচেয়ে ভয়ঙ্কর পরিণতি. নীচের মহলের ঘুষ – এটা ডাক্তাররা, শিক্ষকরা, যারা কৃতজ্ঞ রোগী বা শিক্ষার্থীর বাবামার কাছ থেকে উপহারস্বরূপ ঘুষ নেয়. আর পুরো কাঠামোটার মধ্যে দুর্নীতির জন্য মূল্য কড়ায়গন্ডায় গুণে দিতে হবে যখন তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হবে – বলে মনে করেন এই বিশেষজ্ঞ.

কয়েকদিন আগেই রাষ্ট্রীয় দ্যুমায় নতুন আইন গৃহীত হয়েছে, যার বলে সন্ত্রাসবাদী কান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তির মূল্যের পুরো ক্ষতিপূরণ করতে বাধ্য সন্ত্রাসকারী এবং তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়রা. অতঃপর দুর্নীতিপরায়কদের জন্যও অনুরূপ আইন প্রনয়ণ করার বিষয়ে কথাবার্তা শুরু হয়েছে.