তবে সবকিছুরই একটা দাম আছে. এক্ষেত্রে বার্গারের প্রসঙ্গটা উঠছে. এর দাম – ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য. যেমন বৃটেনের বিজ্ঞানীরা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন, যে পটেটো চীপস খেলে বুদ্ধিমত্তার পতন হয় এবং ক্যান্সারের সঞ্চার করে. প্রাথমিক স্কুলে বাচ্চাদেরও মেধার অবনতি ঘটে, রাশিয়ার বিজ্ঞানীরা এর সাথে পুরোপুরি একমত.

এ্যাক্রিলোমিড বাচ্চাদের চিন্তাভাবনা জগতে ফাটল ধরায়. ঐ সব পদার্থের উদ্ভব হয় গ্রীল করার সময় এবং যে সব খাদ্যদ্রব্য থেকে ফ্যানা বেরোয়. এরকম পদার্থের দেখা পাওয়া যায় চকোলেটে, মুচমুচে ভাজায়, কফিতে. তবে সবচেয়ে বিপজ্জনক হচ্ছে আলু দিয়ে বানানো আইটেমগুলো.

এই খাদ্যদ্রব্যটির একরাশি নেতিবাচক ধর্ম রয়েছে. এর দরুন ক্যান্সারাস টিউমারের উদ্ভব হয়, বন্ধাত্ব জন্মায়, এমনকি মানুষের কোষে মিউটিক্যাল জেনেসিস ঘটিয়ে দেয়. ডায়েটোলজিস্ট আন্না পেত্রিনা বলছেন, যে এটা সরাসরি মগজের ওপর প্রভাব ফ্যালে. –

যে সব লোক নিয়মিত ফাস্টফুড খায়, তাদের মস্তিস্কের অগ্রভাগে লক্ষ্য করা গেছে ক্ষত, যার দরুন তাদের স্বনিয়ন্ত্রণ, দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সামর্থ্য, আবেগ সংবরণ করার ক্ষমতা বড় পরিমানে কমে যায়.

বিশেষতঃ এটা বিপজ্জনক নার্সারীর বয়সী বাচ্চাদের জন্য. রাশিয়ার ডাক্তাররা মনে করেন, যে তিন বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের কোনোমতেই পটেটো চিপস বা ফ্রেঞ্চ ফ্রাই দেওয়া উচিত্ নয়. শরীরাঙ্গে এ্যাক্রিলোমিড যে প্রক্রিয়া ঘটাতে শুরু করে, তাকে আর ফেরানো সম্ভব নয়.

তবে আলুকে সবকিছুর জন্য দোষারোপ করা যায় না. সঠিকভাবে সেদ্ধ করলে এ্যাক্রিলোমিডের উদ্ভব হয় না. এই প্রসঙ্গে মস্কোর খাদ্যদ্রব্য বিশ্লেষণ ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মী রোমান রোমানেনকোভ বলছেন –

বাড়িতে আমরা তেল নিয়মিত বদলাই, কিন্তু ইন্ডাস্ট্রীতে ওটা বারবার ব্যবহার করা হয়. ক্ষতিটা সেখান থেকেই ঘটে.

বিশ্ব জুড়ে গবেষণা এটাই প্রমাণ করে, যে গত একশো বছরে মানবজাতির আইকিউ ১৫% কমেছে এবং ডাউনদের হার ১৪% বেড়েছে. ভাবুন একবার!