তবে এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করছে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট বাশার আসাদ যিনি এই সংকটময় মূহূর্তেও ধৈর্যের পরিচয় দিচ্ছেন। আর এর ফলে সিরিয়ার আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় একটা ভারসাম্য অবস্থানে নিয়ে এসেছে দেশটির সেনাবাহিনীর সদস্যরা তবে ক্ষমতার সমান বন্টনের ক্ষেত্রেও সিরিয়ায় বিপদের লক্ষণ রয়েছে এমনটি বলেছেন সমাজ-রাজনীতি গবেষণা সেন্টারের পরিচালক ভ্লাদিমির ইয়েভসেভ রেডিও রাশিয়াকে তিনি বলেন, "সম্মেলন আয়োজন করা যেতে পারে, কিন্তু এখান থেকে কোন ফাটল ধরবে তার আশাকরা ঠিক না হ্যাঁ, সম্মেলন আয়োজন হলে তা এক অর্থে ভাল তবে এ সম্মেলনেই যে অন্তর্বর্তীকালিন একটি সরকার গঠন করা হবে তার আশাকরা ঠিক হবে না, কারণ ক্ষমতার ভারসাম্য যখন থাকে তখন কেউ কারো ওপর তা বাড়িয়ে দিতে পারেনা আর যখন ওই ভারসাম্য নষ্ট হবে তখন হয়তো পরিবর্তন আসতে পারে।"

 আগামী নভেম্বরে সম্মেলন আয়োজনের সম্ভাব্য সময় উল্লেখ করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি। কিন্তু এখনো অনেক বাঁধা-বিপত্তি রয়েছে। এদিকে প্যারিসভিত্তিক ফিগারো পত্রিকা এ সপ্তাহে জানায়, ফ্রি সিরিয়ান আর্মি যাদের ওপর ওয়াশিংটনের ভরসা ছিলো এখন ওই সংগঠনটি পুরোপুরি পতনের পথে মার্কিনীরা এখন তাদের ওপর ভরসা করা ছেড়ে দিয়েছে যখন তাদের সরবরাহ করা অস্ত্র আল-কায়দার হাতে পৌঁছেছে

 যে সম্মেলন আয়োজনের কথা বলা হচ্ছে তা অস্ত্রধারী জঙ্গিদের জন্য কোন প্রভাব ফেলবে না, তাঁরা যে কোন পরিস্থিতিতে যুদ্ধ চালিয়ে যাবে।

এমনটি মনে করছেন রাশিয়ার স্ট্রাটেজিক গবেষণা ইনস্টিটিউটের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক সেন্টারের পরিচালক ইয়েলেনা সুপোনিনোই। রেডিও রাশিয়াকে তিনি বলেন, "সিরিয়ায় প্রতিদিন মানুষ হত্যা করা হচ্ছে, তাই দেশটিতে কি অস্থায়ী সরকার গঠন কি করা হবে?। সিরিয়ায় প্রতিমাসে চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে শরনার্থীদের সংখ্যা কোটি ছাড়িয়েছে এই পরিস্থিতিতে যেকোন শান্তিপূর্ণ প্রচেষ্টা নষ্ট হবে।"

তবে সিরিয়ায় যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে তাতে একটাই আস্থা আছে এবং তা হচ্ছে বিরোধী জোটের সাহায্য থাকা সত্বেও দেশটির চলমান যুদ্ধ ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

 

এমনকি পশ্চিমা দেশগুলোও ক্লান্ত হয়েছে। সিরিয়ায় তাদের আর কোন মিত্র অবশিষ্ট নেই।