ফলাফল রাশিয়ার জন্য একেবারেই অপ্রত্যাশিত. মূল্যায়ণ করা হয়েছে তিনটি বিভাগে – পড়াশোনার দক্ষতা, অঙ্ক করতে পারার মুন্সীয়াণা এবং আইটি টেকনোলজিতে পারদর্শীতা. এই উদ্দেশ্যে ২৭টি দেশের ১৬৯ হাজার অধিবাসীকে পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে রাশিয়ার ৫ হাজার অধিবাসী ছিল. কি দেখা গ্যাছে ? যখন পৃথিবীতে মোটে ১৫ শতাংশ অধিবাসী কোনোমতে পড়তে জানে, তার প্রেক্ষাপটে রুশবাসীরা দারুন ফলাফল প্রদর্শন করেছে - আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলিকে টপকে গিয়ে.

অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়নের দেশগুলিতে পড়াশোনার গড় মার্কস যখন ২৭৩, তখন রাশিয়া পেয়েছে ২৭৫ মার্কস. অঙ্কে মুন্সীয়ানার ক্ষেত্রে গড় মার্কস যখন ২৬৯, তখন রাশিয়া পেয়েছে ২৭০. তবে আইটি টেকনোলজির বিষয়ে রাশিয়া সামান্য হলেও গড় মার্কসের থেকে পেছিয়ে আছে. গবেষণা প্রমাণ দিয়েছে, যে বহু দেশের অধিকাংশ অধিবাসীর হয় কম্পিউটার ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা নেই অথবা তারা প্রায় আনাড়ি.

হায়ার স্কুল অফ ইকনমিক্সের কর্মী এবং রাশিয়ায় পিআইএএসির সমন্বয়সাধক ওলেগ পদোলস্কি মনে করেন, যে এর কারণ অধিক বয়স্ক লোকেরা, গ্রামাঞ্চলের মানুষ ও নীচুদক্ষতার পেশায় কর্মরতরা কম্পিউটার শিক্ষার দিক থেকে অনেক পেছিয়ে আছে. তার মতে রাশিয়ার অধিবাসীদের দক্ষতার মান যাচাই করার এটাই ছিল প্রথম প্রচেষ্টা, যা কর্মদাতাদের ও গোটা সমাজকেই বুঝতে সাহায্য করবে কোন কোন বিষয়ে বিশেষ শিক্ষাদানের ওপর জোর দেওয়া দরকার. শিক্ষা ও বিজ্ঞান মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে, যে তারা এই গবেষণার প্রতি অত্যন্ত গুরুত্ব দিচ্ছে এবং তার ফলাফল নিয়ে চিন্তাভাবনা করতে মনস্থ করেছে.

সব বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেছে জাপান. রাশিয়া ১৩ নম্বর স্থানে, আমেরিকা ২২ নম্বরে আর স্পেন সর্বশেষ স্থানে. তাছাড়া এও দেখা গেল, যে রাশিয়ার মহিলারা সমস্ত বিভাগেই পুরুষদের থেকে বেশি দক্ষতাসম্পন্না.