পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রত্যেকটি আলাদা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন, কারণ দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সেটাই মুল ভিত্তি. ভারত রাশিয়ার অস্ত্রশস্ত্রের বৃহত্তম ক্রেতা, রাশিয়ার বিদেশে রপ্তানীর এক-তৃতীয়াংশই ভারতে. জ্বালানী শক্তির ক্ষেত্রে সহযোগিতার চমত্কার উদাহরণ হচ্ছে তামিলনাড়ুর কুদানকুলামে যৌথ পারমানবিক বিদ্যুত্কেন্দ্রের উদ্বোধন. ঐ চুক্তির ভবিষ্যত সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়নি, সেটা হবে সলমন খুর্শিদের দমিত্রি রগোজিনের সাথে সাক্ষাতে আগামীকাল বা পরশু. এই সব সাক্ষাত্কার হবে দুই দেশের সারা বছরের সহযোগিতার ফলনির্ণয়ের চূড়ান্ত হিসাবনিকাশের ক্ষেত্র – অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য শীর্ষবৈঠকের প্রস্তুতির একটা পর্ব. সলমন খুর্শিদ ঘোষণা করেছেন যে, এই শীর্ষবৈঠক অক্টোবর শেষ হওয়ার আগেই অনুষ্ঠিত হবে. ভারত ও রাশিয়ার মধ্যে এরকম শীর্ষবৈঠক চিরাচরিত ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে.

মস্কোয় সাক্ষাত্কারে পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয় আলোচনা করলেন শাংহাই সহযোগিতা সংস্থায় ভারতের পূর্ণাধিকারী সদস্যপদ প্রাপ্তির সম্ভাবনা নিয়ে, যেখানে ভারত আপাতত দর্শকের ভূমিকায়. সের্গেই লাভরোভের মতে সময় হয়ে গ্যাছে এবং এই বিষয়ে একটা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া আবশ্যক. –

-শাসসের সদস্যপদ প্রাপ্তির কথা বলতে গেলে বলবো যে, যোগ্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ক্রাইটেরিয়া নির্ণয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আমলাদের এবং অদূর ভবিষ্যতেই প্রাপ্ত আবেদনপত্রগুলির যোগ্যতার মূল্যায়ণ করা সম্ভব হবে. ভারত এরকম আবেদনপত্র জমা দিয়েছে, আমরা তাকে সমর্থন করছি. আমরা মনে করি যে, ভারত ও পাকিস্তানের সদস্যপদ প্রাপ্তি থেকে শাসস শুধু লাভবানই হবে.

ভারত ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয় মতবিনিময় করছেন সিরিয়া সহ নিকট প্রাচ্যের পরিস্থিতি, ইরানের পারমানবিক প্রকল্প নিয়ে. উভয় দেশই আফগানিস্তানে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন.