ল্যভরোভ বলেন, সিরিয়া সংকট নিয়ে পশ্চিমাদের দৃষ্টিভঙ্গি ভুল প্রমান হলেও নিজেদের অবস্থান অটুট রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা।

জাতিসংঘের ৬৮তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য নিউইয়র্কের উদ্দেশ্য মস্কো ত্যাগের পূর্বে এ সাক্ষাতকার দিয়েছেন রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

জাতিসংঘের অধিবেশনে যোগদান ছাড়াও ব্রিকস দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক, মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক জাতিসংঘের মধ্যস্থতাকারী দেশের বৈঠক, ইরানের পরমাণু প্রকল্প নিয়ে ছয়জাতির আলোচনা বৈঠকে যোগ দিবেন ল্যাভরোভ। এছাড়া সিরিয়ার সংক্রান্ত জেনেভা-২ শান্তি সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে জাতিসংঘ মহাসচিব বান কি মুনের সাথেও বৈঠক করার কথা রয়েছে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।

সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র নিয়ে জাতিসংঘের পরিদর্শকদের সর্বশেষ প্রতিবেদন সম্পর্কে সেরগেই ল্যাভরোভ বলেন, "ফ্রান্স ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গোপন করেনি যে তাদের কোন প্রতিবেদনের প্রয়োজন নেই। সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র সম্পর্কে তাদের সবকিছু জানা রয়েছে বলে সোমবার প্রকাশিত হওয়া ওই প্রতিবেদন তৈরীর অনেক আগেই ওই দেশগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়। গত আগষ্ট মাসে দামাস্কাসের উপকন্ঠে রাসায়নিক অস্ত্রের ব্যবহার করা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া ও আন্তর্জাতিক কমিউনিটির ওপর নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করতে থাকে।"

সেরগেই ল্যাভরোভ আরো বলেন, "মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আমাদের সাথে প্রতারনা করা শুরু করছে। রাশিয়া যদি জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সপ্তম অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সিরিয়া সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞায় সমর্থন না দেয় সেক্ষেত্রে হেগের আন্তর্জাতিক রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ সংস্থার সাথে সহযোগিতা বন্ধ করবে যুক্তরাষ্ট্র। এটি সম্পূর্ন ভিন্ন একটি পথ। জেনেভা বৈঠকে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির সাথে যে সিদ্ধান্তে আমরা উপনীত হয়েছি তার কোন সাদৃশ্য এখানে নেই।"