২৭টি দেশের ৫০টি ফিচার, ডকুমেন্টারি ও কার্টুন ফিল্ম অংশ নিয়েছিল প্রদর্শনীর প্রতিযোগিতা বিভাগে. সব ক’টি শো দর্শকদের ভীড়ে উপচে পড়েছিল এবং তারপর প্রযোজক ও পরিচালকদের অসংখ্য কৌতূহলী প্রশ্ন করা হয়েছে. উপরন্তু বলিউডের শতবর্ষপূর্তি উপলক্ষে বিশেষ বিভাগে ৮টি ভারতীয় ফিল্মও দেখানো হয়েছে.

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে মিশরের হালা লুত্ফির ছবি.

‘আল-হুরুজ লি-এন-নাহার’ মিশরের ৪০-বছর বয়স্কা পরিচালিকার প্রথম ফিচার ফিল্ম এবং সর্বার্থে সার্থক. আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারে ভূষিত হওয়ার পরে ‘রেডিও রাশিয়া’র সংবাদদাতাদের তিনি বলেছেন –

“আমি মুগ্ধ এই উত্সবে. আমাকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দিয়েছে হল উপচে পড়া দর্শকরা. প্রত্যেকটি শোয়ের পরে তারা সমবেত হয়ে ফিল্মটি সম্পর্কে নির্মাতাদের বুদ্ধিদীপ্ত প্রশ্নের বাণ ছুঁড়ছিল. পুরস্কার অর্পণ করেন বিশ্বসমাদৃত ক্রিস্তভ জানুসি, কিন্তু আমি ব্যক্তিগতভাবে কৃতজ্ঞ জ্যুরিবোর্ডের মুখ্য কারেন শাখনাজারভের কাছে. আমি তার ফিল্মগুলি অত্যন্ত পছন্দ করি, কারণ বছর পনেরো নাগাদ উনি কায়রো ফিল্মোত্সবে জ্যুরিবোর্ডের প্রধান ছিলেন. এবং আমি গর্বিতা, যে কাজান ফিল্মোত্সবে, যেখানে উনি ছিলেন জ্যুরিবোর্ডের প্রধান, আমি প্রথম স্থান অধিকার করেছি.”

প্রতিযোগিতার বিভিন্ন বিভাগে জয়লাভ করেছেন রাশিয়া, সার্বিয়া, ইরান ও কাজাখস্তানের চলচ্চিত্র নির্মাতারাও. প্রদর্শিত ফিল্মগুলির মূল্যায়ণের ক্ষেত্রে জ্যুরিরা সবাই ছিলেন একমত, যা উত্সবের সমাপ্তি অনুষ্ঠানে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনেই পরিস্কার বোঝা গেছে. জ্যুরিবোর্ডে ছিলেন তুরস্ক, চেখ, ইরান এবং তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের চলচ্চিত্রবোদ্ধারাও. –

মসফিল্মের মুখ্য আধিকারিক এবং ফিল্মোত্সবের জ্যুরিবোর্ডের প্রধান কারেন শাখনাজারভ বলছেন – “আমার মনে হয় প্রদর্শনসূচী ছিল অসাধারণ. অনেক ভালো ফিল্ম ছিল, যেমন ফিচার, তেমনই ডকুমেন্টারি. তাই আমি মনে করি যে, এই ফিল্মোত্সব শুধুমাত্র তাতারস্তানের জন্যই নয়, গোটা রাশিয়ার সাংস্কৃতিক জীবনের জন্য খুবই তাত্পর্য্যপূর্ণ ঘটনা.”

তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের তত্ত্বাবধানে প্রতিবছর এই ফিল্মোতসব হচ্ছে কাজানে. সামনের বছর এই ফিল্মোত্সবের ১০-বছর পূর্তি হবে.