সংস্থার সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতারা ছাড়াও এতে জাতিসংঘ, স্বাধীন কমনওয়েলথ রাষ্ট্রবর্গ, ইউরো-এশিয়া অর্থনৈতিক সহযোগি সংস্থা ও আঞ্চলিক সামরিক জোটের মত প্রভাবশালী (সিএসটিও)আন্তর্জাতিক সংস্থারগুলোর প্রতিনিধিরা আলোচনায় অংশ নিয়েছেন। সাসস এর পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র ইরান, আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়ার রাষ্ট্রপতিরা এবং ভারত ও পাকিস্তানের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

সিরিয়ার সংকট নিরসনে কূটনৈতিক কর্মকান্ডের ফলাফল ইতিমধ্যে আমরা দেখতে পাচ্ছি। পুতিন বলেন, “কূটনৈতিক তৎপরতার কারণে বিগত কয়েকদিনে সিরিয়ার ওপর সামরিক হামলার আশংকা কমেছে। আর এর পিছনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হচ্ছে সিরিয়ার রাসায়নিক অস্ত্র আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবের অগ্রগতি হওয়া। সংবাদে জানা গেছে যে, সিরিয়া রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ কনভেশনের পূর্ণ সদস্য হয়েছে।"

 আফগানিস্তান থেকে বিদেশি সৈন্য প্রত্যাহারের পর ওই অঞ্চলের পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

সীমান্তবর্তী এলাকায় অপরাধ, জঙ্গী ও মাদক পাচারের বিরুদ্ধে কিভাবে অভিযান পরিচালনা করা যায় তা নিয়েও খোলামেলা আলোচনা হয়।

সম্মেলনের অর্থনৈতিক আলোচনা পর্বে দুটি প্রধান গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। এর মধ্যে ছিল রাশিয়ার পক্ষ থেকে উন্নয়ন তহবিল ও চীনের পক্ষ থেকে সংস্থার উন্নয়ন বাংক তৈরীর প্রস্তাব করা হয়। এ বিষয়ে পুতিন বলেন, “এক্ষেত্রে ইতিবাচক একটি উদাহরণ হচ্ছে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থাভুক্ত বাংকগুলোর মধ্যে বহুমুখী পারষ্পরিক সহযোগিতা। যৌথ অবকাঠামো উন্নয়নে এ সম্পর্ক একটি বিরাট অবদান রাখছে. জাতীয় মুদ্রায় আদান-প্রদান ও প্রযুক্তির বিকাশ ঘটাচ্ছে।“

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা জ্বালানী ব্লক তৈরী ও শিক্ষাক্ষেত্রে নানমুখী প্রকল্প নিয়ে মতবিনিময় করেছেন। ইতিমধ্যে সংস্থার উদ্দ্যোগে অনলাইন বিশ্ববিদ্যালয় চালু করার ব্যাপারে বেশ অগ্রগতি হয়েছে।