রাশিয়ার বিমান নির্মাতারা ছাড়া নিজেদের তৈরী বিমান ও মহাকাশ প্রযুক্তির জিনিষ এখানে দেখানোর জন্য আনছে বিশ্বের তেতাল্লিশটি দেশ, এই কথা উল্লেখ করে বিমান প্রযুক্তি বিষয়ক জোট নামের কোম্পানীর ডিরেক্টর ভিক্টর প্রিয়াদকা বলেছেন:

“এখানে অতিথিরা যেসব নতুন জিনিষ নিয়ে আসছেন, তার মধ্যে থাকবে চিনের প্রদর্শনী. চিনের পাইলটরা জে-১০ বিমানে উড়ান প্রদর্শন করবেন, এটা তাদের নিজেদের তৈরী বিমান, কিন্তু তার ইঞ্জিন রাশিয়ায় তৈরী. এই প্রথম চিনের প্রদর্শনী যেমন আকাশে, তেমনই ভূমিতে এতটাই প্রসারিত ভাবে করা হচ্ছে. প্রত্যেক বারের মতই এখানে প্রচুর পরিমানে বম্বারডিয়ে, সেস্সনা, দ্যস্যল্ট এভিয়েশন ইত্যাদি কোম্পানীর প্রশাসনের উপযুক্ত বিমান থাকবে”.

আশা করা হয়েছে যে, এই প্রদর্শনী চলার সময়ে আরও অনেক বহু শত কোটি মূল্যের চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে, তা যেমন সামরিক, তেমনই নাগরিক প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য.

তারই মধ্যে খুবই বেশী রকমের ব্যবসায়িক কাজকর্মের সঙ্গে অতিথি ও অংশগ্রহণকারীদের জন্য অপেক্ষা করছে খুবই জাঁক জমকের এক বিমান প্রদর্শনী. যেসব দিনে সাধারণের জন্য প্রদর্শনীর দ্বার উন্মুক্ত থাকবে, সেই দিনগুলোতে সামরিক বিমানের উড়ান প্রদর্শনীতে সকলে “রুস্সকিয়ে ভিতিয়াজী”, “সোকলি রস্সী”, “স্ত্রিঝি” ইত্যাদি পাইলট দলের দারুণ ওস্তাদি মূল্যায়ণ করার সুযোগ পাবেন. হেলিকপ্টারের দল “বেরকুট” এই প্রথমবার নতুন আঘাত হানার উপযুক্ত মি-২৮এন হেলিকপ্টার নিয়ে উড়ান প্রদর্শনী করবে এই সব উড়ান প্রদর্শনীর সেরা অংশ হতে চলেছে রাশিয়ার পঞ্চম প্রজন্মের বিমান টি-৫০ এর দলের উড়ানের অনুষ্ঠান, যাদের স্বল্প উচ্চতায় খুবই বেশী রকমের দিক পরিবর্তনের সাথে ওড়ার ক্ষমতা রয়েছে.

টি-৫০ বিমানের ভিত্তিতে রাশিয়া ও ভারত সম্মিলিত ভাবে এফজিএফএ নামের পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান তৈরী করছে. এই প্রকল্প নিয়ে সমঝোতা পত্রে স্বাক্ষর করা হয়েছিল ২০০৭ সালের অক্টোবর মাসে. ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে “সুখই” সংস্থা ভারতের হিন্দুস্থান এরোনটিকস লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেছে এই বিমানে ড্রয়িং ও প্রযুক্তিগত প্রকল্প তৈরীর. আর এই বছরের এপ্রিল মাসে রাশিয়া ও ভারত সম্ভাব্য এই বিমানের চেহারা নিয়ে গবেষণার কাজ শেষ করেছে.