“রেডিও রাশিয়া” এই প্রশ্ন করেছে এই বিষয়ে সবচেয়ে বেশী খবর রাখেন এমন একজন কাবুলের বাসিন্দাকেই – আফগানিস্তানের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিষদের সম্পাদক ও পার্লামেন্টের সদস্য মির্দাদ নেঝরাবিকে.

জনাব নেঝরাবি প্রত্যুত্তরে মনে করিয়ে দিয়েছেন যে, দেশের নুরিস্তান, গজনী ও গেলমেন্দ প্রদেশের কয়েকটি এলাকা তালিবদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে. সুতরাং খুবই কম সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই এলাকার বাসিন্দারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন, তাই তিনি বলেছেন:

“বিগত সময়ে আফগানিস্তানের সামরিক বাহিনীর নির্দিষ্ট কিছু সাফল্য সত্ত্বেও আমাদের সামরিক বাহিনী আগের মতই খুবই খারাপ অস্ত্র রসদ সজ্জিত রয়েছে আর তারা খুবই বেশী করে সাঁজোয়া গাড়ী ও বিমান বাহিনীর অভাব বোধ করছে. অর্থাত্ তাদের সম্ভাবনা খুবই সীমিত. কিন্তু এর অর্থ এটা নয় যে, নির্বাচন কোন না কোন এলাকায় হবে না. গত বারেও তালিবদের থেকে বিপদের আশঙ্কা কিছু কম ছিল না, তবুও নির্বাচন হয়েছিল.

এই বারে নতুন ইতিবাচক কারণ দেখতে পাওয়া যাচ্ছে. আমরা আশা করব যে, আফগানিস্তানের প্রশাসন আন্তর্জাতিক সমাজের সমর্থনের মধ্যে তাও কাতার রাষ্ট্রে তালিবদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করতে পারবে. আর কে বলতে পারে যে, ২০১৪ সালের এপ্রিল মাসে তালিবরা ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে সশস্ত্র অবস্থায় না এসে হয়তো ব্যালট পেপার হাতে নিয়েই আসবে না”.

এরই মধ্যে “ডেমোক্র্যাসী ইন্টারন্যাশনাল” সংস্থার জনমত গ্রহণ থেকে দেখা গিয়েছে যে, দেশের ৩৪টি প্রদেশে, শতকরা ৭৬ ভাগ আফগানিস্তানের নাগরিক আগামী বছরের এপ্রিল মাসে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত রয়েছেন. কিন্তু এই প্রসঙ্গে বেশীর ভাগ উত্তরদাতা বলেছেন তাঁদের জন্য ভোটে অংশ নেওয়ার প্রধান শর্তই হল নিরাপত্তার প্রশ্ন. আর এটা – সেই সমস্ত লোকদের জন্যই চিন্তার বিষয়, যারা আগামী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য পরিকল্পনা করছেন.