রাশিয়া আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়িক উদ্যোগের জন্য সহায়তা প্রসারিত করছে. মস্কো শহরে ক্ষুদ্র ব্যবসায় রপ্তানীর জন্য এক আঞ্চলিক কেন্দ্র তৈরী করা হয়েছে. এই কাঠামোর ভবিষ্যত নিয়ে বিশেষজ্ঞরা আলোচনা করেছেন.

রাশিয়ার ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরার কাজ ধীরেধীরে গতি পেয়েছে. এখনও পুরো না হওয়া গত দেড় বছরে দেশে স্বদেশী কোম্পানীকে বিদেশে সহায়তা দেওয়ার জন্য তিরিশটিরও বেশী কেন্দ্র তৈরী করা হয়েছে, যেগুলি, আশা করা হয়েছে যে, বিদেশের বাজারে প্রসারের জন্য উপযুক্ত এক অস্ত্রে পরিণত হবে, তার মধ্যে এই রাজধানীর কোম্পানী গুলিও পড়ে. রাষ্ট্রীয় বাজেট বরাদ্দ থেকে তৈরী “মস্কোর ক্ষুদ্র ব্যবসায়” নামে সংস্থার জেনারেল ডিরেক্টর দিমিত্রি মলচানভ যেমন উল্লেখ করেছেন যে, এই কারণে কেন্দ্র ক্ষুদ্র ব্যবসায়কে খুবই প্রসারিত পরিষেবা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে, তিনি বলেছেন”

“এখানে কাজ করা হবে চারটি প্রধান দিকে. প্রথমতঃ, এটা বিনামূল্যে পরামর্শ দেওয়া – আমরা কোম্পানীর পক্ষ থেকে নিজেদের উত্পাদিত জিনিষ বিদেশে রপ্তানীর ক্ষেত্রে প্রস্তুতি নিয়ে অডিট করতে পারি. দ্বিতীয়তঃ, এটা প্রশিক্ষণ মূলক প্রোগ্রাম, যা বর্তমানে কাজ করছে এমন রপ্তানীকারক বা কোম্পানীর কর্মীদের জ্ঞান বৃদ্ধি করবে, যারা বাইরের দেশে কাজ করতে চান, তাদের. তৃতীয়তঃ, - একটা ব্যবসা সম্পর্কিত অনবরত কাজ – ম্যারাথন দৌড়ের মতই, কাছের ও দূরের দেশ গুলিতে ব্যবসায়িক মিশন নিয়ে ক্রমাগত যেতে থাকা, যখন আমরা কোম্পানীদের আলোচনা করার জন্য নিয়ে যাই, তখন আগে থেকেই আমরা তাদের সঙ্গে কাজের উপযুক্ত বিদেশী সহকর্মীদের খুঁজে বের করে রাখি, আর তাই দিয়ে আমাদের উত্পাদকদের খরচ কমিয়ে দিই. চতুর্থ রাস্তা – আন্তর্জাতিক ভাবে কোন প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার জন্য খরচের ভার কমানো”.

এখানে উল্লেখ যোগ্য যে, এই কেন্দ্রের কাজকর্ম ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গুলিকে কোন রকমের সরাসরি বিনিয়োগের ব্যবস্থা দেয় না. রাশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের ক্ষুদ্র ও মাঝারি মাপের ব্যবসায় ও প্রতিযোগিতা দপ্তরের ডিরেক্টর নাতালিয়া লারিওনোভা যেমন উল্লেখ করেছেন যে, এটা রাশিয়ার পক্ষ থেকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থায় যোগদানের শর্তের মধ্যে পড়ে না, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন:

“এখন রপ্তানীর ক্ষেত্রে সহায়তা করার সম্ভাবনার সারি খুবই কমে গিয়েছে. আগে পরিকল্পনার মধ্যে সরাসরি ভাবে রপ্তানীকারকদের সাবসিডি দেওয়া যেতে পারত, কিন্তু বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার শর্ত অনুযায়ী তা নিষিদ্ধ. তারই মধ্যে অন্য দুটি দিকে কাজ করার অনুমতি রয়েছে, এটা এই ধরনের সহায়তা কেন্দ্র তৈরী করে দেওয়া আর প্রদর্শনী সংক্রান্ত কাজে সহায়তা করে দেওয়া”.

মস্কোর কেন্দ্রের কাজ ইতিবাচক পথেই উন্নয়ন করবে. যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তরের ব্যবসায়িক পরিষেবা বিভাগের প্রতিনিধি রবিন কেস্সলের উল্লেখ করেছেন যে, নতুন পরিকাঠামোর মধ্যে খুবই বড় রকমের সম্ভাবনা রয়েছে, এই প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন:

“আমি মনে করি যে, এই কেন্দ্র এক প্রভূত ক্ষমতা রাখে, কারণ আজ সেই সমস্ত ছোট কোম্পানী যারা রপ্তানীর বিষয়ে রাস্তা তৈরী করতে চাইছে, তাদের সহায়তার প্রয়োজনও বিপুল. সুতরাং আমি মনে করি যে, এই কেন্দ্র গুলির ফলপ্রসূ হওয়ার সম্ভাবনা ও ক্ষমতাও বিশাল”.

শ্রীমতী কেস্সলের বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজার আজ রাশিয়া থেকে খুবই বিরল প্রকৃতির জিনিষ পেতে চাইছে, তার মধ্যে আমেরিকার আমদানীকারকদের মধ্যে এই দিকে সহযোগিতা বাড়ানোর আগ্রহ সরাসরি ভাবেই তাদের দিকে বাড়িয়ে দেওয়া জিনিষের নতুনত্বের উপরেই নির্ভর করবে.