জুলিয়ান আসাঞ্জের জন্য সবচেয়ে বেশি মোহভঙ্গের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই উপলব্ধি, যে শিক্ষিত লোকেরা জনতার ভীড়ে মিশে গ্যাছে এবং কৌতুককর মন্তব্যকারীদের তুলনায় সাহসী মানুষের বড় অভাব. আসাঞ্জ তার এই ইন্টারভিউ দিয়েছেন 'ডেইলি মেল' সংবাদপত্রকে. তাসত্বেও আসাঞ্জ তার সবচেসে বড় বিজয় বলে গণ্য করেন আমেরিকান মেশিনের বিরুদ্ধে জয়কে. WikiLeaks কখনো তার প্রকাশিত তথ্য প্রত্যাহার করেনি এবং কারও নির্দেশ মেনে চলেনি - বলেছেন আসাঞ্জ. তিনি বলেছেন, যে সেই সুবাদেই ইস্টারনেটকে নেহাত্ই অরাজনৈতিক প্রান্তর থেকে সত্যিকারের কর্মবাহক পরিসরে পরিণত করা সম্ভব হয়েছে.

     ৪১- বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ান  আসাঞ্জ আমেরিকার গোয়েন্দা বিভাগের খপ্পর এড়িয়ে গত এক বছর ধরে লন্ডনে ইক্যুয়েডরের রাষ্ট্রদূতাবাসে আশ্রিত. ঐ দেশ তাকে রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়েছে.