বিশ্বব্যাপী শক্তির ভারসাম্য চীনের দিকে সরে যাচ্ছে, তার অর্থনৈতিক ক্ষমতা উর্ধগতিতে. অনেকে মনে করে যে, সময়ের সাথে চীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে পৃথিবীতে একমাত্র প্রধান অতি-শক্তি হিসেবে, বলা হয়েছে গ্লোবাল অ্যাটিচিউড প্রোজেক্টে. পিউ রিসার্চ সেন্টারের অধ্যয়ন প্রকাশিত হয় বৃহস্পতিবার. মত সংগ্রহ করা হয় মে মাসে ৩৯টি দেশে, প্রশ্ন করা হয় ৩৮ হাজার লোককে. ২৩টি দেশে বেশির ভাগ মতদাতা এ স্থিরবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, চীন শিগগিরই ছাড়িয়ে যাবে অথবা ইতিমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে অতি-শক্তি হিসেবে. কিন্তু চীনের প্রভাব বৃদ্ধি তার ইমেজের উন্নতি করে নি : ৬৩ শতাংশ মতদাতা বলেছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি মনোভাব ভাল, চীনের প্রতি – ৫০ শতাংশ. এ বছরে চীনকে প্রথম স্থান দিয়েছে ৪৪ শতাংশ মার্কিনী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শক্তিতে বিশ্বাস রাখছে ৩৯ শতাংশ মার্কিনী. এদিকে বেশির ভাগ চীনের লোক (৪৪ শতাংশ) উত্তর দিয়েছে যে, বর্তমানে নেতৃ-স্থানে আছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নিজস্ব দেশের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছে এক-তৃতীয়াংশ চীনা লোক. রাশিয়াবাসীরা বেশির বাগ অন্য দেশের সাথে একমত : অর্ধেক মতদাতা মনে করেন যে, চীন বিশ্ব নেতা হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়িয়ে যাবে অথবা ইতিমধ্যে ছাড়িয়ে গেছে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন অর্ধেকের সামান্য বেশি, আর চীনের প্রতি – ৬২ শতাংশ মতদাতা. এক তৃতীয়াংশ রাশিয়াবাসী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে মনে করে শরিক, শত্রু মনে করে – এক পঞ্চমাংশ, আর বিপুল সংখ্যাধিক্যের (৬৬ শতাংশ) স্থিরবিশ্বাস যে, ওয়াশিংটন নিজের নীতি অনুসরণে রাশিয়ার স্বার্থ বিবেচনা করে না. চীনকে শরিক হিসেবে দেখে অর্ধেকের বেশি রাশিয়াবাসী (৫৩ শতাংশ), শত্রু হিসেবে- ১১ শতাংশ. অর্ধেক মতদাতা মনে করেন যে, চীন রাশিয়ার স্বার্থ বিবেচনা করে, কিছু কম মতদাতা (৩৯ শতাংশ) চীনকে মনোযোগী শরিক হিসেবে দেখেন না. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি সবচেয়ে খারাপ মনোভাব মুসলমান দেশগুলিতে – পাকিস্তানে, জর্ডানে, মিশরে. চীনের প্রতি সবচেয়ে খারাপ মনোভাব প্রতিবেশী দেশগুলিতে, যাদের সাথে বেজিংয়ের উত্তেজনাপূর্ণ সম্পর্ক ভূভাগীয় বিতর্কের জন্য – জাপানে, দক্ষিণ কোরিয়ায়, ফিলিপাইনে.