যদি এই রকমই হয়ে থাকে, তবে ইরাকের কাছে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেই, যা দিয়ে ইরান থেকে সিরিয়াতে আকাশ পথে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা সম্ভব হতে পারে, বলে উল্লেখ করেছেন ইরাকের পররাষ্ট্র মন্ত্রী হোশিয়ার জিবারি লন্ডনে প্রকাশিত আরব ভাষার সংবাদপত্র “আশ-শার্ক আল-আউসাত”- কে. কূটনীতিবিদ বলেছেন যে, ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইরাকের পক্ষ থেকে বাছাই করে ইরান ও সিরিয়ার বিমান পরীক্ষা করে দেখা শুরু করা হয়েছিল. তাতে ইরাকের লোকরা পেয়েছেন অসামরিক সাহায্য, যেমন যন্ত্রপাতি, ওষুধপত্র ও খাবার জিনিষ.

“খোলাখুলি ভাবে বলতে গেলে বিমানে করে আরও অনেক কিছু নিয়ে যাওয়া যেতে পারে, তবে আমাদের কাছে না আছে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, না যুদ্ধবিমান, যা দিয়ে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করা সম্ভব হতে পারে”, বলেছেন মন্ত্রী. এই প্রসঙ্গে তিনি যোগ করেছেন যে, ইরাকের আকাশপথ যাতে তৃতীয় দেশকে অস্ত্র পাঠানোর জন্য ব্যবহার না করা হয়, তা নিয়ে তেহরানকে আহ্বান জানানো হয়েছে.

ইরাকের পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান একই সঙ্গে ঘোষণা করেছেন যে, পশ্চিমের দেশ গুলি যদি এতই নিশ্চিত হয় যে তেহরান থেকে দামাস্কাসে অস্ত্র পাঠানো হচ্ছে, তবে নিজেরাই সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে পারে.

“আমি পশ্চিমকে বলেছি: যদি ইরান থেকে সিরিয়া যাওয়ার আকাশ পথের সেতু ধ্বংস করতে চান, তবে এটা করে দেখুন”!