মার্কিনী কর্তৃপক্ষের বেশি মনোযোগ দেওয়া উচিত মানব অধিকার পালনের সমস্যার প্রতি নিজের দেশে, চীনে নয়, বলেছেন চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের সদস্য ইয়ান জেচি. এ বিবৃতি তিনি দেন স্ট্র্যাটেজিক ও অর্থনৈতিক প্রশ্নে দু দিন ব্যাপী মার্কিন-চীনা সংলাপের ফলাফল সম্পর্কে ওয়াশিংটনে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে. ইয়ান জেচি এ আশা প্রকাশ করেন যে, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মানব অধিকার পালন সংক্রান্ত পরিস্থিতির উন্নতি করবে নিজের দেশে, এবং কার্যকলাপ চালাবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও আভ্যন্তরীন ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করার ভিত্তিতে”. ইয়ান জেচি জোর দিয়ে বলেন যে, “চীন মানব অধিকার পালনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জন করেছে”. তাঁর কথায়, “দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের, সেই সঙ্গে সিনজিয়ান ও তিব্বতের অধিবাসীরা সুখে বাস করছে, তারা অনুপম স্বাধীনতা উপভোগ করছে”.ইয়ান জেচি-র বিবৃতির কারণ ছিল এর প্রাক্কালে মার্কিনী পররাষ্ট্র দপ্তর মানব অধিকারের সমস্যা সংক্রান্ত বার্ষিক রিপোর্টের প্রকাশ, যাতে চীনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, চীনের তিব্বত এবং সিনজিয়ান-উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলে এ ক্ষেত্রে পরিস্থিতির অবনতি ঘটছে. গত বৃহস্পতিবার মার্কিনী উপ-রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন চীনা সহকর্মীদের সাথে সাক্ষাতে এ স্থিরবিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, চীন আরও শক্তিশালী ও স্থিতিশীল দেশ হয়ে উঠতে পারত যদি মানব অধিকার রক্ষার আন্তর্জাতিক মান পালন ও রক্ষা করত. বাইডেন আরও উল্লেখ করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উভয়েই উপকৃত হত অঞ্চলে স্বাধীন নৌ-যাত্রায় এবং নির্বাধ বাণিজ্যে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিরা তাছাড়া চীনকে আশ্বাস দেন যে, আলাস্কা-তে রকেটবিরোধী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে উত্তর কোরিয়ার তরফ থেকে বিপদের জন্য.