সান-ফ্রানসিস্কোতে শনিবার দুর্ঘটনায় পড়া “বোইং-৭৭৭” বিমানের কর্মীদল প্রায় ১৫০ মিটার উচ্চতায় বুঝেছিল যে, বিমানটি উড়ছে খুবই নিচ দিয়ে, আর অবস্থা সংশোধনের চেষ্টা করেছিল. এ সম্বন্ধে জানিয়েছেন আমেরিকার যানবাহনে নিরাপত্তা সংক্রান্ত জাতীয় পরিষদের সভাপতি ডেবোরা হের্সমান. তাঁর কথায়, এ ঘটনা সংক্রান্ত এখনও বহু প্রশ্ন আছে, যা স্পষ্ট করে নিতে হবে. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ বিমানের কর্মীদলের সদস্যদের সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করেছে. জানানো হয়েছিল যে, দক্ষিণ কোরিয়ার “এসিয়ানা এয়ারলাইনস” বিমান কোম্পানির এ বিমানটি নামাচ্ছিল যে বৈমানিক, সে এ ধরণের বিমানে অনুশীলন করছিল. হের্সমান উল্লেখ করেন যে, “বৈমানিকের অভিজ্ঞতা প্রচুর, আগে তিনি সান-ফ্রানসিস্কোয় বিভিন্ন ধরণের বিমান চালিয়ে এসেছেন”. বৈমানিকের সহকারী “বেশি পরিচিত ছিলেন “বোয়িং-৭৭৭” বিমানের সাথে, তবে তিনি বিমান কোম্পানিতে কাজ করছিলেন প্রথম দিন”, জানান হের্সমান. প্রচার মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ল্যান্ডিংয়ের ১.৫ সেকেন্ড আগে বিমানবন্দরের এয়ার-কন্ট্রোলার বৈমানিককে সুপারিশ করে ল্যান্ড না করার এবং আবার উঁচুতে ওঠার. রানওয়ে-তে নামার সময় বিমানটির পিছনের অংশের ধাক্কা লাগে বিমানবন্দরের এলাকার দেয়ালের সাথে. এ দুর্ঘটনার ফলে মারা যায় দুটি চীনা মেয়ে এবং ক্ষতিগ্রস্ত হয় ১৮০ জনের উপর.