আগামী বছরের ফেব্রুয়ারী মাসে ইজিপ্টে পার্লামেন্ট নির্বাচন হবে, তার পরেই হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন. এটা অন্তর্বর্তী কালীণ সময়ে কার্যরত রাষ্ট্রপতি আদলি মনসুরের প্রকাশিত এক নতুন সাংবিধানিক ঘোষণাতে বলা হয়েছে.

এই দলিলে বলা হয়েছে যে, আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে সাংবিধানিক সভা আহ্বান করা হবে, যাতে দেশের নতুন মুখ্য আইন প্রস্তুত করা সম্ভব হয় ও সাংবিধানিক ঘোষণা প্রকাশের ছয় মাসের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়.

এই দলিলে ৩৩টি ধারা রয়েছে. তার মধ্যে একটি নির্দিষ্ট ধারা রয়েছে দেশের অন্তর্বর্তী কালীণ রাষ্ট্রপ্রধানকে অন্তবর্তী কালীণ মন্ত্রীসভার সঙ্গে আলোচনার পরে আইন গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া নিয়ে. দলিলে তারই সঙ্গে রয়েছে নিয়মাবলী, যা ব্যবহার করে দুটি পরিষদ গঠন করা যাবে, যারা দেশের নতুন সংবিধানের ধারা রচনা করবেন. প্রসঙ্গতঃ, প্রথম পরিষদে থাকবেন বিশেষজ্ঞ- আইনবিশারদরা, দ্বিতীয় পরিষদে – নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা.

নতুন সংবিধান নিয়ে জনমত গ্রহণ করা হবে এই সাংবিধানিক ঘোষণার চার মাস পরে.

পার্লামেন্ট নির্বাচন এই জনমত গ্রহণের পরে দুই সপ্তাহের মধ্যেই হবে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হবে – আজ থেকে ছয় মাস পরে, - বলা হয়েছে এই সাংবিধানিক ঘোষণার বয়ানে, যার থেকে কিছুটা নির্বাচিত অংশ প্রকাশ করেছে আল-মাসরি আল-ইয়াউম ইন্টারনেট পোর্টাল.

একই সময়ে ইজিপ্টে পরিস্থিতি খুবই তীক্ষ্ণ হয়েছে. ৮ই জুলাই ভোর রাতে কায়রো শহরে প্রজাতান্ত্রিক সামরিক প্রহরীদের ভবনের সামনে মুহাম্মেদ মুর্সির সমর্থক ও সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে. সেখানে, অনুমান করা হয়েছে যে, ক্ষমতাচ্যূত মুহাম্মেদ মুর্সি রয়েছেন. দেশের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের ফলে ও তার পরে শুরু হওয়া গুলি বিনিময়ের সময়ে ৫০ জনেরও বেশী মানুষ নিহত হয়েছেন.