ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি দিলমা রুসেফ মনে করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা এজেন্সির তরফ থেকে ব্রাজিলের নাগরিকদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তি তাঁর দেশের সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন. তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “এটা সার্বভৌমত্ব ও মানব অধিকারেরও লঙ্ঘন”. রুসেফ উল্লেখ করেন যে, এডওয়ার্ড স্নোডেনের স্বীকৃতির ভিত্তিতে প্রচারিত এ খবরের সমর্থন পাওয়া দরকার. সেই সঙ্গে তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, ব্রাজিল এ খবর বিবেচনা করবে কোনো দ্বিধা ছাড়া. রুসেফ বলেন যে, শুধু ব্রাজিলের ব্যাপারেই নয়, অন্যান্য দেশের ব্যাপারেও এমন হস্তক্ষেপের সাথে কোনো পরিস্থিতিতেই একমত হতে পারেন না. তিনি জানান যে, ব্রাজিল রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানব অধিকার কমিশনে আবেদন করবে প্রচার মাধ্যমে উদ্ঘাটন উপলক্ষে, যা থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, মার্কিনী বিশেষ বিভাগগুলি দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলির নাগরিকদের টেলিফোন কথাবার্তায় আড়ি পাতে এবং ইন্টারনেট-ট্রাফিকের উপর নজর রাখে. জানানো হয়েছিল যে, ব্রাজিলের গ্লোবো প৬িকা গত সপ্তাহের শেষ দিকে স্নোডেনের তথ্যের উদ্ধৃতি দিয়ে একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করে, যাতে বলা হয়েছে যে, ব্রাজিল, রাশিয়া, চীন এবং অন্য কিছু উন্নয়নশীল দেশের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইলেকট্রোনিক গুপ্তচরবৃত্তির ক্ষেত্রে প্রাধান্যের স্থানে ছিল.