যথন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তালিবদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে চাইছে, তখন ভারত নিজেদের তালিবদের সঙ্গে "কোন সংস্পর্শ নয় নীতি" থেকে সরে এসেছে বলে বোঝা গিয়েছে, যখন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সলমন খুরশিদ মঙ্গলবারে বলেছেন যে, "নয়াদিল্লী সমস্ত আফগান সমাজের লোকদের মধ্যেই আলোচনাকে সমর্থন করে, আর তার মধ্যে সশস্ত্র জঙ্গীরাও রয়েছে ও সেই অর্থে তালিবরাও".

 আসিয়ান সংস্থার আঞ্চলিক ফোরামে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ব্রুনেইতে তিনি বলেছেন যে, আফগানিস্তানের যে কোন আলোচনাই আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত "রক্ত রেখার" মধ্যে করতে হবে, আর তার মানে হল যে, আলোচনার আগে তালিবদের আফগানিস্তানের সংবিধানকে মানতে হবে, হিংসা বন্ধ করতে হবে ও মহিলা এবং সংখ্যালঘুদের অধিকার মেনে নিতে হবে. আলোচনা প্রক্রিয়াকে হতে হবে বিস্তৃত ভিত্তিতে আফগানিস্তানের নেতৃত্বে ও তাদের সকলের অংশ গ্রহণের মাধ্যমে. এখানে গত দশক ধরে আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক ভাবে সামাজিক, গণতান্ত্রিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা আনার প্রয়াসকে কোন পক্ষই উপেক্ষা করতে পারবে না, যাতে বহু রাষ্ট্রের সঙ্গে ভারতও হাত মিলিয়েছে আর ভারতের আফগানিস্তানের নীতিতে "বেরিয়ে আসার কোন পথ রাখা হয় নি" ও ভারত তা চায়ও না.

পাকিস্তানের নামোল্লেখ না করে খুরশিদ বলেছেন যে, "আফগানিস্তানের সীমান্ত পার হয়ে আসা সন্ত্রাসের  বিছনে মদত দেওয়া বন্ধ করতে হবে, তাকে অর্থ, প্রযুক্তি বা রণ কৌশল দিয়ে পুষ্ট করা চলতে পারে না". 

 রাষ্ট্রসঙ্ঘে বহুকাল ধরেই ভারত তালিবদের আলোচনা প্রক্রিয়া থেকে আলাদা করে রাখার কথা বলেছে, তবে ২০১১ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ডঃ মনমোহন সিংহ আফগানিস্তানের পার্লামেন্টে বক্তৃতা দেওয়ার সময়ে নাম না করে বলেছিলেন যে, "আফগানিস্তানের শান্তি প্রক্রিয়াতে পার্লামেন্ট সদস্যরা চাইলে সকলকেই এমনকি সশস্ত্র বিরোধীদেরও আমন্ত্রণ করতে পারেন".

সলমন খুরশিদ এই ভাষণের সময়ে উত্তর কোরিয়া থেকে পাকিস্তানে "পারমানবিক অস্ত্র প্রযুক্তি অনুপ্রবেশ" নিয়ে ভারতের চিন্তিত থাকার কথাও বলেছেন ও আহ্বান করেছেন এই বিষয়ে আশু তদন্তের.