ব্রুনেই রাষ্ট্রে আঞ্চলিক আসিয়ান সংস্থার নিরাপত্তা সংক্রান্ত ফোরামে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রী সের্গেই লাভরভ ও মার্কিন পররাষ্ট্র সচিব জন কেরির সাক্ষাত্কার ও আলোচনা হয়েছে.

ব্রুনেই যাওয়ার আগেই সের্গেই লাভরভ ঘোষণা করেছিলেন যে, তাঁদের আলোচনার মুখ্য বিষয় হবে সিরিয়ার সঙ্কট নিরসনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে. অংশতঃ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের ইচ্ছা অনুযায়ী সিরিয়ার বিরোধীদের সহায়তা দেওয়া ও তার মধ্যে কিছু ধরনের অস্ত্র সম্ভার দেওয়ার কথাও হবে. আর সেই তথ্য যে, ওয়াশিংটন ইতিমধ্যেই জর্ডনের কাছে অস্ত্র দিয়েছে, যাতে তা পরে সিরিয়ার বিরোধীদের কাছে পাঠানো যায়. একই সঙ্গে এই বৈঠকের আগে সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ব্যবস্থা করবে, যাতে কিছু ইউরোপীয় দেশ একই ধরনের সহায়তা দেয়. অগ্নিতে ঘৃতাহুতি করেছে সৌদী আরবের প্রশাসনের ঘোষণা যে, তারা বিরোধীদের সামরিক সমর্থন বৃদ্ধি করছে ও আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত যাতে নেওয়া হয়, তার চেষ্টা করবে এবং বাশার আসাদের প্রশাসনকেই বেআইনি ঘোষণা করবে. উল্লেখযোগ্য হল যে, এই বিষয়ে গত সপ্তাহে জন কেরির এর-রিয়াদ শহরে সফরের সময়েই ঘোষণা করা হয়েছে. রাশিয়ার পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান তখন একটি মাত্র অর্থবহ ঘোষণাই করেছেন যে, এই সব সিদ্ধান্ত, সিরিয়া নিয়ে শান্তি সম্মেলন আহ্বানের, বিপক্ষেই যাচ্ছে. কি প্রশ্ন তিনি তাঁর মার্কিন সহকর্মীকে মঙ্গলবারে করেছেন, তা না জানাই থেকে গিয়েছে. সাংবাদিকদের জন্য লাভরভের মন্তব্য ছিল খুবই সংক্ষিপ্ত, তিনি বলেছেন:

“সিরিয়া নিয়ে যা বলা যেতে পারে, তা হল যে, আপনারা যেমন জানেন যে, ২৫শে জুন জেনেভা শহরে রাশিয়া ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের পর্যায়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে আলোচনা হয়েছে. আমরা এই সাক্ষাত্কারের ফলাফল নিয়ে মতামত বিনিময় করেছি. মনে করি যে, তা ছিল খুবই উপকারী. আর আজ জন কেরির সঙ্গে সমঝোতা করেছি যে, কি ভাবে যা ইতিমধ্যেই দ্বিপাক্ষিক ভাবে মেনে নেওয়া হয়েছে, তার উপরে নির্ভর করে আগে অগ্রসর হওয়া যায়. আমাদের আমেরিকার সহকর্মীরা স্বীকার করেছেন যে, এখন প্রধান কাজ হল – বিরোধী পক্ষের মধ্যে জেনেভা শহরের গত বছরের কমিউনিকে অনুযায়ী একটা জোট তৈরী করা সম্ভব হয়. এটাই তা, যা আজ আমাদের আলোচনার পরিণামে মুখ্য বলা যেতে পারে”.

সাক্ষাত্কারের সময়ে লাভরভ ও কেরি একই সঙ্গে রাষ্ট্রপতি ওবামার সেপ্টেম্বর মাসে আসন্ন রাশিয়া সফরের আগে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অবস্থা নিয়েও কথা বলেছেন, যা হতে চলেছে সেপ্টেম্বর মাসে জি-২০ দেশের সেন্ট পিটার্সবার্গের শীর্ষ সম্মেলনের প্রাক্কালে.