মঙ্গলবার “বাইকোনুর” কসমোড্রোমে “প্রটোন-এম” বাহক-রকেটের দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে প্রথম পর্যায়ের ইঞ্জিন বিকল হওয়া, বলেছেন কাজাখস্তানের বিপর্যয় নিরসন মন্ত্রণালয়ের প্রধান ভ্লাদিমির বোঝকো. তিনি বলেন যে, জ্বালানিতে আগুন ধরে যায় – তার একাংশ মাটিতে পড়ে এবং জ্বলতে থাকে. রকেটে মোট ভরা হয়েছিল প্রায় ১৭২ টন হেপটাইল আর তাছাড়া অক্সিডাইজার, মঙ্গলবার মন্ত্রী বলেন আস্তানায় সরকারের বৈঠকে. তাঁর তথ্য অনুযায়ী, এখন কসমোড্রোমের এলাকায় রাশিয়ার পক্ষ রাসায়নিক প্রতিরক্ষার তিনটি চৌকি, তাছাড়া রাসায়নিক নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে. জানানো হয়েছিল যে, দুর্ঘটনা ঘটে ক্ষেপণের ১৭ সেকেন্ড পরে. এ বাহক-রকেটের কর্তব্য ছিল “গ্লোনাস” ব্যবস্থার তিনটি স্পুতনিক কক্ষপথে স্থাপন করা. ২০১০ সালের দুর্ঘটনার পরে “প্রটোন” রকেটে “ডি.এম-০৩” ত্বরণ ব্লক ব্যবহার শুরুর পরে এটি প্রথম দুর্ঘটনা. ২০১০ সালের ৫ই ডিসেম্বর “বাইকোনুর” কসমোড্রোম থেকে যাত্রা শুরু করে “ডি.এম-০৩” ত্বরণ ব্লক সম্বলিত বাহক-রকেট “প্রটোন” কক্ষপথে “গ্লোনাস-এম” ব্যবস্থার তিনটি রকেট কক্ষপথে স্থাপন করতে পারে নি – সেগুলি গিয়ে পড়েছিল প্রশান্ত মহাসাগরে হোনোলুলু (হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) থেকে দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে. মহাকাশ সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছিল ডিজাইন দলিলে ভুলের জন্য “ডি.এম-০৩” ত্বরণ ব্লক দেড় টন অতিরিক্ত অক্সিডাইজার ঢালা হয়েছিল বলে.