ভারতের উত্তরাঞ্চলে হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখন্ড রাজ্যে প্রবল বৃষ্টি ও তদজনিত পাহাড়ী ভূমি ধ্বস ও বন্যার প্রকোপে এখনো পর্যন্ত অন্তত ষাট জন প্রাণ হারিয়েছে. মুষলধারে বৃষ্টিতে গঙ্গা ও তার শাখা নদীগুলোতে বান এসেছে. উত্তরাখন্ডে অবস্থিত তীর্থস্থানগুলিতে হাজার হাজার পুণ্যার্থী পৌঁছাতে পারেনি. দুর্বিপাকের শিকার লোকজনকে আপাতত আশ্রয় দেওয়া হয়েছে স্থানীয় স্কুল ও কলেজ বাড়িগুলোতে. বন্যায় পথ অবরুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় যে সব মানুষ সভ্যতা থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, তাদের উদ্ধার করার জন্য প্রশাসন ১০টি হেলিকপ্টার দুর্যোগাক্রান্ত জায়গায় পাঠিয়েছে. সিআরপি এবং এয়ারফোর্সও ত্রাণকাজে যোগ দিতে যাচ্ছে.

   আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে মুষলধারে বৃষ্টিপাত চলবে আরও অন্ততঃ ২-৩ দিন. এই বছর উত্তর ভারতে মৌসুমী বায়ুপ্রবাহ তড়িঘড়ি এসে হাজির হওয়ায় রাজধানী দিল্লিতে গত সপ্তাহের চল্লিশোর্ধ তাপমাত্রা এক ধাপে ত্রিশ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নীচে নেমে গেছে.