ইরানে শুক্রবার ১৪ই জুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগের দিন “মৌন দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে. ইরানীদের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে ছয় জন প্রার্থীর মাঝ থেকে. সংস্কারবাদী স্থিতির প্রতিনিধিত্ব করছেন ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের প্রাক্তন সচিব হাসান রুখানি. রক্ষণশীল স্থিতির তরফ থেকে ভোটের জন্য দাঁড়িয়েছেন চার জন প্রার্থী: ইরানের প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলি আকবর বেলায়েতি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে প্রধান আলাপ-আলোচনাকারী সইদ জালিলি, রাজনৈতিক উপযোগিতা নির্ধারণ সংক্রান্ত পরিষদের সচিব মোহসেন রেজাই এবং তেহেরানের মেয়র মোহামেদ বাগের গালিবাফ. স্বাধীন প্রার্থী, তবে রক্ষণশীলদের কাছাকাছি স্থিতি ধারণকারী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন প্রাক্তন ডাক, টেলিগ্রাফ ও টেলিফোন মন্ত্রী সইদ মোহাম্মদ গারাজি. ইরানীদের নিজেদের নাগরিক স্থিতি প্রকটের আহ্বান জানিয়ে আয়াতোল্লা আলি হামেনেই বলেন, “নির্বাচন – এ হল জনগণের ইচ্ছার, দেশের ভাগ্যে তার অংশগ্রহণের অভিব্যক্তি”. ইরানের নাগরিকরা ১৪ই জুনের জন্য নির্ধারিত রাষ্ট্রপতির নির্বাচনে ভোটদানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন পৃথিবীর ৯৬টি দেশে, এবং ১২৮টি নির্বাচনী অঞ্চলের ২৯০টি নির্বাচনী কেন্দ্রে. রাশিয়ার ইরান বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন যে, এই দেশে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন হবে দুই পর্যায়ে. তাঁরা এ সম্ভাবনা বাদ দেন না যে, এ নির্বাচনে বিজয়ী পাশ্চাত্য সম্পর্কে আরও নমনীয় নীতি অনুসরণ করতে শুরু করবেন.