সারা রাশিয়া জনতা জোট বুধবারে নথিভুক্ত হয়েছে এক সামাজিক আন্দোলন হিসাবে, যার নাম “রাশিয়ার জন্য - সারা রাশিয়া সামাজিক আন্দোলন জনতা জোট”. এই আন্দোলনের নেতা হিসাবে ঐক্যমতে নির্বাচিত হয়েছেন রুশ রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন.

পুতিনের কথামতো, এই সারা রাশিয়া জনতা জোট এমন এক ব্যবস্থা হওয়া উচিত্, যা রাশিয়ার জনগনকে অধিকার দেবে প্রশাসনের কাছ থেকে তাদের দায়িত্ব আদায় করে নেওয়ার. তিনি আশা করেন যে, জনতা জোট এক সারা রাশিয়ার সংস্থাতেই পরিণত হবে, যার মঞ্চে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণের মানুষরা নিজেদের মধ্যে সমঝোতা খুঁজে নেবেন. পুতিন এই নতুন সামাজিক মঞ্চকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ও তাঁর প্রতি ভরসা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন. তিনি বিশেষ করে উল্লেখ করেছেন যে, “দেশ গঠনের সর্বজনীন কাজে প্রত্যেকের আন্তরিক অংশ নেওয়া কাম্য”. তাঁর কথামতো, এই কারণেই সারা রাশিয়া জনতা জোট তৈরী হয়েছে – এটা এমন এক সামাজিক সংস্থা, যেটি সারা রাশিয়ার সমস্ত নাগরিকদের ইচ্ছাকেই বাস্তবায়ন করতে সক্ষম, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে সক্ষম. এই “জোটের লক্ষ্য – প্রত্যেককে মহান রাশিয়া গঠনের সুযোগ করে দেওয়া”.

এর আগে সম্মেলন নিজেদের সনদ গ্রহণ করেছে ভোট দানের মাধ্যমে. ঐক্যবদ্ধ ভাবেই দেশের প্রত্যেক প্রদেশে সারা রাশিয়া জাতীয় জোটের শাখা খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ও তাতে এই সম্মেলনের নেতৃত্বে যাঁরা রয়েছে, তাঁদের গঠনকেও স্বীকৃতী দেওয়া হয়েছে. এই সম্মেলনের প্রতিনিধিরা একই সঙ্গে এই আন্দোলনের ম্যানিফেস্টোর স্বীকৃতী দিয়েছেন. তার মধ্যে নেওয়া নীতি – দেশে নতুন করে শিল্পায়নের প্রয়োজন স্বীকার করা হয়েছে, যাতে প্রতিযোগিতায় সক্ষম শক্তিশালী অর্থনীতি তৈরী করা সম্ভব হয়. এই জোটের সদস্যরা নিজেদের সামনে এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী কাজ রেখেছেন – “রাশিয়ার ঐতিহাসিক ভাবে নির্দিষ্ট কর্তব্য বাস্তবায়ন করা, যাতে রাশিয়া ইউরো এশিয়ার এলাকায় এক সমাকলনের কেন্দ্রে পরিণত হতে পারে”, তার জন্যেই প্রয়োজন পড়বে “সারা জাতির মধ্যে এক সৌভ্রাতৃত্ব গড়ে তোলার, প্রজন্মের মধ্যে ঐক্য গড়ার”, যুব সমাজের দেশ প্রেমিক হওয়ার শিক্ষা প্রসারের.