চীনের সভাপতি সি জিনপিন এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামার সাক্ষাত্ হবে শুক্রবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যে. উভয় দেশের সরকারী প্রতিনিধিদের বিবৃতি থেকে বোঝা যায় যে, তারা এ শীর্ষ সাক্ষাতের প্রতি বিপুল মনোযোগ দিচ্ছে এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও আন্তর্জাতিক সমস্যাবলির বহু বিষয় আলোচনা করতে চায়. চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ প্রসঙ্গে বলেছে যে, এ সাক্ষাতের অতি বিপুল গুরুত্ব রয়েছে অতি দীর্ঘকালের ধরে দু দেশের মাঝে সম্পর্ক বিকাশের জন্য. আশা করা হচ্ছে যে, আলাপ-আলোচনার সময় উত্থাপিত হবে চীনের সীমানার কাছে রাজনৈতিক আবহাওয়া সংক্রান্ত তীব্র সমস্যাবলি, মার্কিনী সামরিক স্ট্র্যাটেজির কেন্দ্র এশিয়ায় স্থানান্তরিত করা, উত্তর কোরিয়া ও ইরানের পারমাণবিক সমস্যা. তাছাড়া আলোচিত হবে অতি স্পর্শশীল সব প্রশ্ন, যেমন সাইবার নিরাপত্তা ও হ্যাকারদের আক্রমণ, কপিরাইটের রক্ষা. তাছাড়া আলোচিত হবে সিরিয়ার সঙ্ঘর্ষ. তাছাড়া, চীনা পর্যবেক্ষকরা মনে করেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আবার চীনের সমালোচনা করবে ইউয়ানের বিনিময় হার, যা মার্কিনীদের মতে, কমিয়ে রাখা হয়েছে, এবং পারস্পরিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারসাম্যহীনতা. পক্ষদ্বয় চীনের কাছে মার্কিনী ঋণের প্রশ্নও এড়িয়ে যেতে পারে না, যা পৌঁছেছে ১.২৫ লক্ষ কোটি ডলারে. আশা করা হচ্ছে যে, সি জিনপিন জোর দেবেন চীনে উচ্চ প্রকৌশলের উত্পন্ন দ্রব্য রপ্তানি সীমিত করা সম্পর্কে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবর্তিত নিয়ম বাতিল করার উপর, পূর্ব চীনা সাগরে ও দক্ষিণ চীনা সাগরে দ্বীপপুঞ্জের ভূভাগীয় সত্ত্বাধিকার নিয়ে জাপান ও আসিয়ানের কয়েকটি দেশের সাথে চীনের বিতর্কে মার্কিনী ও অন্যান্য বিদেশী হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে মত প্রকাশ করবেন.