সিরিয়ার কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক রেড ক্রস এবং রেড ক্রেসেন্ট কমিটির কর্মীদের এল-কুসেইর শহরে যেতে দিতে প্রস্তুত সেখানে সশস্ত্র বিরোধী জঙ্গীদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শেষ হওয়ার পরেই. এ সম্বন্ধে বলেছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ মুয়াল্লেম এর প্রাক্কালে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক বান কি মুনের সাথে টেলিফোন আলাপে. একই সঙ্গে সিরিয়ার কূটনীতিজ্ঞ এ শহরের পরিস্থিতি সম্বন্ধে বিশ্ব জনসমাজের দুশ্চিন্তা উপলক্ষে আশ্চর্য হন. সিরিয়ার “সানা” সংবাদ এজেন্সি জানিয়েছে, মুয়াল্লেম বলেছেন যে, “কেউ চিন্তিত হয় নি, যখন এ শহর ও তার আশপাশের এলাকা সন্ত্রাসবাদীরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল”. শনিবার রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদে রাশিয়া এক বিবৃতি অবরোধ করেছে, যাতে সিরিয়ার সরকারী বাহিনী ও “হেজবোল্লা” আন্দোলনের যোদ্ধাদের নিন্দা করা হয়েছে এল-কুসেইর শহর দখল নিয়ে সামরিক ক্রিয়াকলাপ চালানোর জন্য. রাশিয়ার প্রতিনিধি মস্কোর স্থিতি ব্যাখ্যা করেন এভাবে যে, আগে সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের জঙ্গীদের দ্বারা এ শহর দখলের সময় রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের তরফ থেকে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখানো হয় নি. এল-কুসেইর – লেবাননের সাথে সীমানায় অবস্থিত, সিরিয়ায় অস্ত্রসজ্জা এবং অন্যান্য মালপত্র পাঠানোর জন্য এর বিপুল গুরুত্ব আছে. প্রচার মাধ্যমের খবর অনুযায়ী, শহরের জন্য লড়াই চলছে, বহুসংখ্যক হতাহত আছে.