রাশিয়া সাঙ্কত-পিতারবুর্গে আসন্ন “জি-২০” শীর্ষ সাক্ষাতের জন্য কাঁচামালের বাজারের স্বচ্ছতা ও পূর্বানুমানযোগ্যতা সম্পর্কে নতুন নতুন উদ্যোগ প্রস্তুত করছে. এ সম্বন্ধে রাশিয়ার রাষ্ট্রপতি ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন রাষ্ট্রসঙ্ঘের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত প্রথম এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় জ্বালানী সম্মেলনের অংশগ্রহণকারীদের. তাঁর কথায়, “জ্বালানী ক্ষেত্রের ফলপ্রসূ ও বুদ্ধিসঙ্গত কার্যকারিতার উপর প্রত্যক্ষভাবে নির্ভর করছে আমাদের অঞ্চল তথা সারা পৃথিবীর অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদী ও ইতিবাচক বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিত”. তিনি “সর্বসাধারণ, সুলভ ও নিরবিচ্ছিন্ন জ্বালানী সরবরাহ সুনিশ্চিত করায়” এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলির প্রচেষ্টার সঙ্গতি সাধনের গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন. পুতিন উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া জ্বালানী ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বিধানিক ব্যবস্থা সুদৃঢ় করার জন্য একনিষ্ঠভাবে মত প্রকাশ করছে. তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, রাশিয়া জ্বালানী নিরাপত্তা সম্পর্কে “বৃহত্ অষ্টদেশের” সার্বিক কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণের উদ্যোক্তা ছিল, যার ভিত্তিতে ছিল জ্বালানীর সরবরাহকারী ও পরিভোগীদের স্বার্থের বিবেচনা. রাষ্ট্রপতি আরও মনে করিয়ে দেন যে, ভ্লাদিভস্তোকে এশীয়- প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সাক্ষাতে এ অঞ্চলের দেশগুলির জ্বালানী ভারসাম্যে পরিবেশের দিক থেকে নির্মল প্রাকৃতিক গ্যাসের অংশ বৃদ্ধি এবং শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার প্রসারের সুনির্দিষ্ট ধারণা প্রস্তাব করা হয়েছিল. রাষ্ট্রপতি তাছাড়া এ বিষয়ে মনোযোগ দেন যে, এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলিতে রাশিয়ার জ্বালানীর রপ্তানি বেড়ে চলেছে. তাঁর কথায়, এই ব্যাপক পরিসরের কাজ চালানো হচ্ছে সম্মেলনের সামনে এসে দাঁড়ানো কর্তব্যের ধারায় – আগামী বহু বছরের জন্য গোটা এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে স্থিতিশীল জ্বালানী সরবরাহের স্ট্র্যাটেজি প্রণয়ন করা.