রাষ্ট্রসঙ্ঘের মানব অধিকার পরিষদের বুধবারের বৈঠকে সিরিয়ার ঘটনাবলি সম্পর্কে বিতর্ক হবে. এ ধরণের বৈঠক, যা “জরুরী বিতর্ক” নাম পেয়েছে, আয়োজনের উদ্যোগ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক ও কাতার. এ সাক্ষাতের আলোচ্য বিষয়ের নাম দেওয়া হয়েছে “সিরিয়ায় মানব অধিকার সংক্রান্ত পরিস্থিতির অবনতি এবং এল-কুসেইরে সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড”, এবং সাক্ষাতের ফলে সিরিয়ার কর্তৃপক্ষের নিন্দা করা নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার কথা. কূটনৈতিক উত্স থেকে জানা গেছে যে, বৈঠকে উত্থাপিত হবে সিরিয়ার সঙ্ঘর্ষে লেবাননের শিয়া “হেজবোল্লা” আন্দোলনের যোদ্ধাদের অংশগ্রহণের বিষয়. সিরিয়ার বিরোধীপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, “হেজবোল্লা” যোদ্ধারা ইরানী সৈনিকদের সাথে দেশের পশ্চিমে এল-কুসেইর শহরের কাছে যুদ্ধে সিরিয়ার সৈন্যবাহিনীকে সাহায্য করছে. দেশের কর্তৃপক্ষ এ সব অভিযোগ প্রত্যাখান করেছে. এ বিষয়টি খসড়া সিদ্ধান্তের বয়ানে প্রতিফলিত হয়েছে, যা আলোচনার জন্য উত্থাপিত হবে. দলিলে নিন্দা করা হয়েছে “এল-কুসেইরে সিরিয়ার শাসনের দ্বারা বিদেশী ভাড়াটে যোদ্ধা ব্যবহারের”. সেই সঙ্গে খসড়া সিদ্ধান্তে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সম্পর্কে কোনো উল্লেখ নেই. এমন একতরফা মূল্যায়ন একসারি দেশের প্রতিবাদ জাগিয়েছে, যারা দলিলে ভারসাম্য রাখার আহ্বান জানাচ্ছে. রাশিয়া ও চীনের প্রতিনিধিরা এ আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এ ধরণের সিদ্ধান্ত সিরিয়া নিয়ে সম্মেলন আয়োজনের কাজে মোটেই সাহায্য করে না.